1 Answers
সালাত পালনের প্রভাবে রাসেলের জীবনে পরিবর্তন আসে। কারণ সালাত মানুষকে অন্যায় ও অশ্লীল কাজ থেকে বিরত রাখে।
মা-বাবার মৃত্যুর পর রাসেল ধূমপান, মদপান ও জুয়া খেলা প্রভৃতি শুরু করে দেয়। একদা ইসলামি জলসায় একটি প্রাত্যহিক ইবাদত পালনের জন্য হাত তুলে সে ওয়াদা করে। এখন সে কাকডাকা ভোরে ঘুম থেকে ওঠে। সকলের সাথে দৈনিক পাঁচবার একত্রিত হয়। তার শরীর ও মন এখন বেশ ভালো। অর্থাৎ রাসেল ইসলামি জলসায় সালাত আদায়ে ওয়াদাবদ্ধ হয় এবং সে অনুযায়ী আমল করে। ফলে সে ধীরে ধীরে অপকর্ম করা বাদ দেয়। এর পিছনে চালিকাশক্তি হলো সালাত। কেননা সালাত সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “নিশ্চয় সালাত মানুষকে অশ্লীল ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে।” (সূরা আল-আনকাবুত : ৪৫)
আল্লাহ তায়ালার নিকট বান্দার আনুগত্য প্রকাশের সর্বশ্রেষ্ঠ পন্থা হলো সালাত। সালাতের মাধ্যমেই আল্লাহর নিকট বান্দার চরম আনুগত্যের অভিব্যক্তি প্রকাশ পায়। সালাত মানুষকে সৎপথে পরিচালিত করে। তবে নিছক আনুষ্ঠানিকতা ও কায়িক পরিশ্রম হিসেবে বিবেচনা করলে সালাত কোনো কাজে আসবে না। অর্থাৎ -অমনোযোগিতা, অবাধ্যতা, অবহেলা ও সালাতের মূল শিক্ষা ধারণ করতে না পারলে সালাতের কোনোরূপ ফজিলত বা উপকারিতা লাভ করা যাবে না। শুধু মনোযোগসহকারে ও নিষ্ঠার সাথে আদায়কৃত সালাত ব্যক্তিকে সকল প্রকার অশ্লীল ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখবে সন্দেহ নেই। রাসেল সঠিকভাবে সালাত আদায় করেছেন। ফলে তার জীবনে সালাত বাস্তব পরিবর্তন এনেছে।