1 Answers

"নবিজির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য আত্মস্থ করতে পারলেই লেখকের বাঞ্ছিত সমাজব্যবস্থা কায়েম করা সম্ভব।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

বিশ্বের বুকে মর্যাদাবান রাষ্ট্র হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়ানোর পূর্বশর্ত হলো ধনী-দরিদ্রের বিভেদ দূর করা। অর্থ-সম্পদ, বংশমর্যাদার ভিত্তিতে মানুষকে ছোট-বড় মনে করা উচিত নয়। মানবকল্যাণ সাধন করতে হলে সাম্যের সমাজ গড়ে তুলতে হবে।

উদ্দীপকে নবিজির আচরণে সাম্যবাদী সমাজ গঠনের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। তিনি এখানে মানুষের মর্যাদাকে উচ্চে তুলে ধরেছেন। উদ্দীপকের নবিজি ও সাহাবিদের মধ্যে সাম্যনীতির দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি সাহাবিদের সঙ্গে কাজে যোগ দিয়ে আমির- ফকির, ছোট-বড়র মধ্যকার বিভেদের অবসান ঘটিয়েছেন। তাঁর কাছে মর্যাদার দিক থেকে সবাই সমান। নবিজির চরিত্রের এই সাম্যনীতি 'উপেক্ষিত শক্তির উদবোধন' প্রবন্ধে প্রতিফলিত সাম্যনীতির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। লেখক এখানে একটি দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ছোট-বড়, উঁচু-নিচু, ধর্মীয় ও জাতিগত বিভেদ দূর করার কথা বলেছেন। বিশ্বে মর্যাদাবান রাষ্ট্র গঠনে যাঁরা আমরণ সংগ্রাম করে গেছেন তিনি তাঁদের নির্দেশিত পথে চলতে বলেছেন।

'উপেক্ষিত শক্তির উদবোধন' প্রবন্ধে লেখক একটি দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও উন্নতির জন্য সব শ্রেণির মানুষের সমান অংশগ্রহণ কামনা করেছেন। কারণ মুষ্টিমেয় কিছু সংখ্যকের পক্ষে দেশ ও জাতির উন্নয়ন সাধন করা সম্ভব নয়। এই কারণে তিনি নিম্নশ্রেণির মানুষকে জাগিয়ে তুলে তাদের উপযুক্ত কর্মে নিয়োজিত করতে বলেছেন। লেখক সমাজ থেকে বিভেদ-বৈষম্য দূর করে মানুষকে দেশের জন্য কাজ করতে বলেছেন এবং সর্বক্ষেত্রে সাম্যবাদী চেতনার জয়গান গেয়েছেন। এই দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

5 views

Related Questions