1 Answers

"উদ্দীপকের রাকিব স্যার যেন 'বই পড়া' প্রবন্ধে উল্লিখিত যথার্থ গুরুর সার্থক প্রতিনিধি”- মন্তব্যটি যথার্থ। 

শিক্ষা হচ্ছে আনন্দের বিষয়। শিক্ষা আনন্দের সঙ্গে অর্জন করতে হয়। তাহলে অর্জিত জ্ঞান মানুষের কল্যাণে আসে। জোর করে চাপিয়ে দেওয়া বা মুখস্ত করা জ্ঞান আত্মিক ও মানসিক বিকাশের অন্তরায়।

'বই পড়া' প্রবন্ধে বলা হয়েছে শিক্ষা কেউ কাউকে দিতে পারে না। ছাত্রকে তা অর্জন করতে হয়। শিক্ষাগুরুর সার্থকতা শিক্ষাদানে নয়, ছাত্রকে তা অর্জন করতে সক্ষম করায়। শিক্ষক বা গুরু ছাত্রকে শিক্ষার পথ দেখিয়ে দিতে পারেন, তার কৌতূহল উদ্রেক করতে পারেন, ছাত্রের বুদ্ধিবৃত্তিকে জাগ্রত করতে পারেন, ছাত্রের জ্ঞান পিপাসাকে জ্বলন্ত করতে পারেন। একজন যথার্থ গুরু শিষ্যের আত্মাকে উদ্বোধিত করেন এবং তার অন্তর্নিহিত প্রচ্ছন্ন শক্তিকে ব্যক্ত করে তোলেন। সেই শক্তির বলে শিষ্য নিজের মন নিজে গড়ে তোলে। উদ্দীপকের রাকিব স্যার এমনই একজন শিক্ষক। তিনি ছাত্রদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি অন্য বই পড়তে উৎসাহিত করেন। লাইব্রেরিতে গিয়ে বই পড়তে এবং বিভিন্ন সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে তাগিদ দেন। ফাতিমা তার উৎসাহে উদ্বুদ্ধ হয়ে সফল হয়।

'বই পড়া' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক একজন যথার্থ শিক্ষাগুরুর যেসব কর্মকান্ড ও বৈশিষ্ট্যের কথা বলেছেন তার সব বৈশিষ্ট্য উদ্দীপকের রাকিব স্যারের মধ্যে বিদ্যমান। কেননা তিনি ফাতিমাকে উদ্বুদ্ধ করতে এবং তাকে বই পড়ে সুশিক্ষিত হওয়ার চেতনা জাগ্রত করতে সক্ষম হয়েছেন। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

4 views

Related Questions