1 Answers

ধনাঢ্য ব্যক্তি রহমত সাহেব মাঝে মাঝে দীনের জন্য প্রচুর সময় ব্যয় করেন এবং ঈদ আসলে গরিব-দুঃখীদের মাঝে শাড়ি- লুঙ্গি বিতরণ করেন। তার এ কর্মকান্ড নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। কিন্তু তার আরেকটি কর্মকান্ডের কথা উদ্দীপকটি পাঠ করে আমরা জানতে পারি। তা হলো- তিনি নিয়মিত সম্পদ গণনা করে হিসাব অনুযায়ী যাকাত দিতে অনীহা প্রকাশ করেন। রহমত সাহেবের এ কর্মকাণ্ড প্রশংসাযোগ্য তো নয়ই, বরং নিন্দাযোগ্য। কারণ প্রথমত, তার ওপর যাকাত ফরজ। তাকে তা আদায় করতে হবে। আর তিনি যদি তা আদায়ে অস্বীকার করেন, তা হবে কুফরির শামিল। অন্যদিকে, যাকাত আদায়ের নির্ধারিত বিধান রয়েছে। রহমত সাহেবকে সে বিধান বা নিয়ম মেনে যাকাত দিতে হবে।

দান-সাদকা এবং যাকাতের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। এ পার্থক্য রহমত সাহেবকে বুঝতে হবে। তাকে মনে রাখতে হবে, অকাতরে দান- সাদকা করলেই যাকাত আদায় হবে না। যাকাত আদায়ের নির্ধারিত বিধান মেনে তবেই যাকাত আদায় করতে হবে। অন্যথায় যাকাত অনাদায়ের শাস্তি তাকে পরকালে ভোগ করতে হবে। কারণ যাকাত দেওয়া ফরজ। গুরুত্বের দিক দিয়ে সালাতের পরই যাকাতের স্থান। বস্তুত কোনো মুসলমান যাকাত না দিয়ে মুসলমান থাকতে পারে না। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "মুশরিকদের জন্য ধ্বংস অনিবার্য, কারণ তারা যাকাত দেয় না। সুতরাং যাকাত না দেওয়া মুশরিকদের কাজ।"

6 views

Related Questions