1 Answers
তথ্যচিত্র-২ এ 'ক' এর মতামতকে কোনোভাবেই যথার্থ বলা যায় না।
আল্লাহ তায়ালাকে সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, রিযিকদাতা ও ইবাদতের যোগ্য এক ও অদ্বিতীয় সত্তা হিসেবে মেনে নেওয়াকে তাওহিদ বলে। তাওহিদের বিপরীত হলো শিরক। আল-কুরআনে বলা হয়েছে - لَوْ كَانَ فِيهِمَا آلِهَةٌ إِلَّا اللَّهُ لَفَسَدَنَا
অর্থ : “যদি সেথায় (আসমান ও জমিনে) আল্লাহ ব্যতীত অন্যকোনো ইলাহ থাকত তবে উভয়ই ধ্বংস হয়ে যেত।” (সূরা আল-আম্বিয়া: ২২)
শিরক অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ। পৃথিবীর সকল প্রকার জুলুমের মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো শিরক। শিরক শব্দের অর্থ অংশীদার সাব্যস্ত করা, একাধিক স্রষ্টা বা উপাস্যে বিশ্বাস করা। যে ব্যক্তি শিরক করে তাকে মুশরিক বলে। উদ্দীপকের 'ক' বলেন, মানুষের মধ্যে কিছু লোক আজ আল্লাহকে এক ও অদ্বিতীয় মনে করে না। শিল্পপতিদের ভাগ্য নির্ধারক মনে করে। যা স্পষ্ট শিরকের অন্তর্ভুক্ত।
বস্তুত আল্লাহ তায়ালার দয়া, ক্ষমা ও রহমত ব্যতীত দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ লাভ করা কোনোক্রমেই সম্ভব নয়। ভুলক্রমে আল্লাহ তায়ালার সাথে শিরক করে ফেললে সাথে সাথে পুনরায় ইমান আনতে হবে। অতঃপর বিশুদ্ধ অন্তরে তওবা করে আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে।
মহান আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়। তিনিই মানুষের ভাগ্য নির্ধারক। সুতরাং 'ক' এর মতামত কোনোভাবেই যথার্থ নয়।