1 Answers

উদ্দীপকের নাসিম মিয়ার বক্তব্য যথার্থ, যা আখিরাতে বিশ্বাসের সাথে সংগতিপূর্ণ। অন্যদিকে, মকবুল মিয়ার আখিরাতে বিশ্বাস বা পরকালে জবাবদিহিতার ভয় না থাকায় সে বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করছে। ফলে তার কাজের জন্য জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করবে।

উদ্দীপকের নাসিম মিয়া কিয়ামত ও পরকালীন জবাবদিহিতা সম্পর্কে বক্তব্য দিয়েছেন। নাসিম মিয়ার এরূপ বক্তব্যের মাধ্যমে তার আখিরাতে বিশ্বাসের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আখিরাতে বিশ্বাস মানুষকে জীবন পরিচালনায় নীতি ও আদর্শের অনুসরণ করতে বাধ্য  করে। যে ব্যক্তি আখিরাতে বিশ্বাস করে সে প্রত্যহ তার প্রতিটি কাজের হিসাব নিজেই নিয়ে থাকে। আত্মসমালোচনার মাধ্যমে সে তার ভুলত্রুটি শুধরিয়ে নিয়ে সচ্চরিত্রবান হিসেবে গড়ে ওঠে।

উদ্দীপকের মকবুল জোরপূর্বক ক্ষমতার বলে বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করে থাকে। এর মূল কারণ হলো মকবুল আখিরাতে বিশ্বাস করে না। ফলে পরকালে জবাবদিহিতার বিষয়টিও সে বিশ্বাস করে না। এ কারণে সে বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করছে। মকবুল মিয়ার এরূপ কাজের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। পরকালে তাকে জাহান্নামের ভয়াবহ শাস্তি ভোগ করতে হবে। কেননা, দুনিয়াতে আল্লাহ তায়ালার আদেশ না মানা, পার্থিব লোভ-লালসার বশবর্তী হয়ে অন্যায়, অনৈতিক কাজ করা ইত্যাদি জাহান্নামিদের কাজ। জাহান্নাম চিরশাস্তির স্থান। সেখানে মানুষের পাপের পরিমাণ অনুসারে শাস্তির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে। পাপীগণ জাহান্নামের কঠিন শাস্তি ভোগ করবে।

উপরিউক্ত আলোচনার আলোকে বলা যায়, উদ্দীপকের নাসিম মিয়ার বক্তব্য যথার্থ ও তাৎপর্যপূর্ণ। অন্যদিকে, মকবুল মিয়ার কর্মকান্ড আখিরাতে অবিশ্বাসের ফলশ্রুতি। যার পারলৌকিক শাস্তি অত্যন্ত ভয়াবহ।

5 views

Related Questions