1 Answers
ইয়াসমিনের কাজগুলো মাঝারি ধরনের কাজের আওতাভুক্ত। ইয়াসমিন সারাদিন গৃহস্থালির কাজ, কাপড় ধোয়া, মসলা বাটা, ফুলগাছ লাগানো ও তার পরিচর্যা ইত্যাদি কাজ করে থাকেন। এ ধরনের কাজগুলো মাঝারি শ্রমের আওতাভুক্ত।
সাধারণত শারীরিক কার্যকলাপের ওপর শক্তি ব্যয় নির্ভর করে। শ্রমের মাত্রার সাথে পেশির টান, সংকোচন, অক্সিজেন গ্রহণ, রক্ত সঞ্চালন প্রভৃতি নির্ভরশীল। পরিশ্রম বেশি করলে ব্যক্তির শক্তি চাহিদা বেশি হয়। অধিক পরিশ্রমে পেশির সংকোচন, প্রসারণ, অক্সিজেন গ্রহণ বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে দেহে দহনক্রিয়া বৃদ্ধি পায়, ফলে সেই অনুপাতে শক্তি চাহিদাও বাড়ে। এর ভিত্তিতে শ্রম হালকা বা মাঝারি বিভিন্ন রকম হতে থাকে।
মাঝারি শ্রমে ঘণ্টায় ৩০০-৪০০ ক্যালরি ব্যয় হয়। এ ধরনের শ্রমে খেলাধুলা, কাপড় কাচা, জোরে হাঁটা, সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামা করা, সাইকেল চালানো, বাগান করা প্রভৃতি কাজ অন্তর্ভুক্ত। মৌলিক শক্তি চাহিদার ৭৫-১০০ শতাংশ মাঝারি শ্রমের জন্য ধার্য করা হয়।
ইয়াসমিন যে কাজগুলো করেন তার প্রতিটির জন্য গড়ে ৩০০-৪০০ ক্যালরি প্রয়োজন। উপরিউক্ত কাজগুলো করতে ইয়াসমিনের দৈনিক প্রায় ২৪৯৪ কিলোক্যালরি শক্তির প্রয়োজন হয়। যা মাঝারি শ্রমে নিয়োজিত একজন মহিলার প্রয়োজন। তাই ইয়াসমিনের কাজগুলো মাঝারি শ্রমের আওতাভুক্ত।