1 Answers
মায়ের বুকের দুধের উপকারিতা জানার পর মিথিলা দ্বিতীয় সন্তানকে বুকের দুধ পান করান। মিথিলার প্রথম সন্তানটি বুকের দুধ পান করা হতে বঞ্চিত ছিল। এ কারণে সে প্রায়ই অসুস্থ থাকে। মিথিলা যখন বুকের দুধের নিম্নোক্ত গুণাগুণগুলো সম্পর্কে জানতে পারে তখনই তিনি দ্বিতীয় সন্তানটির ক্ষেত্রে আর ভুল করেন নি। মিথিলা তার সন্তানকে বুকের দুধ পান করানোর কারণ হলো-
১. মায়ের প্রথম দুধে হলুদ, ঘন ও তরল পদার্থ থাকে, তাকে কলোস্ট্রাম বা শালদুধ বলে। এই দুধ প্রোটিন, ভিটামিন, অ্যান্টিবডি সমৃদ্ধ। এই দুধ শিশুর জীবনের প্রথম টিকা হিসেবে কাজ করে। ফলে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
২. মায়ের দুধে প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদান, যেমন- গ্লুকোজ, প্রোটিন, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ সঠিক মাত্রায় থাকে বলে সুষম হয়।
৩. দুধের ল্যাকটোজ, ল্যাকটোএ্যালবুমিন ও ক্যাজিন শিশু সহজে হজম করতে পারে, ফলে শিশুর পেটের পীড়া হয় না।
৪. মায়ের বুকের দুধ জীবাণুমুক্ত। শিশু তাৎক্ষণিক প্রয়োজনমতো গ্রহণ করতে পারে। মায়ের দুধ সহজপাচ্য, স্বাস্থ্যসম্মতভাবে ও সঠিক তাপমাত্রায় শিশুকে খাওয়ানো যায়।
৫. শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে পরিপূর্ণ পুষ্টি যোগায়।
৬. অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের প্রয়োজন হয় না।
৭. মা ও শিশুর বন্ধন সুদৃঢ় হয়, যা শিশুর ব্যক্তিত্ব গঠনে সহায়তা করে।
একারণেই তিনি দ্বিতীয় সন্তানকে বুকের দুধ পান করান।