1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত পরিশেষ পদ্ধতির সুবিধা ও অসুবিধা নিচে উল্লেখ করা হলো-

সুবিধাসমূহ :

⇨ পরিশেষ পদ্ধতিতে কোনো একটি ঘটনাকে কার্য বলে জানা গেলে যেমন এর কারণ নির্ণয় করা যায়, তেমনি একটি ঘটনাকে কারণ বলে ধরা হলে তার কার্য নির্ণয় করা যায়।

⇨ বিজ্ঞানের ইতিহাসে পরিশেষ পদ্ধতি প্রয়োগ করে বহু বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার সম্ভব হয়েছে।

⇨ পরিশেষ পদ্ধতি বহুকারণ সম্ভাবনাকে অনেকাংশে দূর করতে সক্ষম। এর ফলে এ পদ্ধতির মাধ্যমে গৃহীত সিদ্ধান্ত প্রায় নিশ্চিতের কোঠায় গিয়ে পৌঁছায়।

⇨ সব আরোহ পদ্ধতিই কম-বেশি পরিশেষ পদ্ধতির উপর নির্ভরশীল।

⇨ পরিশেষ পদ্ধতি ব্যতিরেকী পদ্ধতির মতোই নির্ভরযোগ্যভাবে কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কার করতে সক্ষম। আর এজন্য এর সিদ্ধান্তও নিশ্চিত হয়ে থাকে।

⇨ এই পদ্ধতির সাহায্যে জটিল ও মিশ্র ঘটনাকে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম; যেমন: আরগন গ্যাস আবিষ্কার।

অসুবিধাসমূহ :

⇒ এই পদ্ধতির প্রধান সীমাবদ্ধতা হচ্ছে, কার্যকারণ সম্বন্ধ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে একে প্রথমই প্রয়োগ করা যায় না।

⇒ সমজাতীয় কার্য সংমিশ্রণে এ পদ্ধতিতে কার্যকারণ সম্বন্ধ নির্ণয় করা গেলেও ভিন্ন জাতীয় কার্য সংমিশ্রণের ক্ষেত্রে ও পদ্ধতি প্রয়োগ করে কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় করা যায় না। 

⇨ এ পদ্ধতিতে একটি শর্তকে সম্পূর্ণ কারণ বলে ভুল করার আশঙ্কা আছে। 

⇨ কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম থাকলেও প্রকারান্তে এটি ব্যতিরেকী পদ্ধতিরই একটি অংশ। তাই ব্যতিরেকী পদ্ধতির অনেক ত্রুটি এর উপরও বর্তায়।

⇨ কোনো বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের প্রাথমিক স্তরে এটি প্রয়োগযোগ্য নয়। কারণ অনুসন্ধানাধীন ঘটনায় কারণের অংশবিশেষ জানা না থাকলে এ পদ্ধতিটি প্রয়োগের সম্ভাবনা থাকে না।

⇨ গাণিতিক হিসাব-নিকাশ এ পদ্ধতিতে চলে না, প্রকৃতির জটিল ঘটনাবলি সবসময় চুলচেরা গাণিতিক নিয়মে পরিমাপ করা যায় না।

5 views

Related Questions