1 Answers
উদ্দীপকে চিপসের প্যাকেটজাতকরণের সময় ব্যবহৃত প্রযুক্তি হলো ন্যানোটেকনোলজি। নিচে ন্যানোটেকনোলজির সুবিধা ও অসুবিধা উল্লেখ করা হলো-
সুবিধা: ন্যানোটেকনোলজির সুবিধা অনেক। যেমন-
১. বৃহৎ স্কেলে পন্যোৎপাদন সম্ভব হয়।
২. উৎপাদিত পণ্য আকারে সূক্ষ্ম ও ছোট করা সম্ভব হয়।
৩. উৎপাদিত পণ্য অত্যন্ত মজবুত, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী, টেকসই ও হালকা হয়।
৪. প্রাণঘাতি ক্যান্সারসহ বিভিন্ন দূরারোগ্য ব্যাধি হতে মুক্তি লাভ করা সম্ভব হবে।
৫. বিশ্বব্যাপী বৃহৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
৬. কার্যকরী ও সস্তায় শক্তি উৎপাদন সহ পানি ও বায়ুদূষণ কমানো সম্ভব হবে।
অসুবিধা: ন্যানোটেকনোলজির সুবিধার পাশাপাশি অনেক অসুবিধাও পরিলক্ষিত হচ্ছে। যেমন-
১. এ প্রযুক্তিতে উৎপাদিত ন্যানো ফাইবার বা সূক্ষ্ম তন্তু নিঃশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে পৌঁছালে ভয়ানক স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে, এ ঝুঁকি বিষাক্ত খনিজ অ্যাসবেস্টসের চেয়ে বেশি।
২. ন্যানোপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মারাত্মক প্রাণঘাতি অস্ত্র তৈরি করা সম্ভব বিধায় যুদ্ধক্ষেত্রে ভয়াবহতার আশঙ্কা রয়েছে।
৩. ধনী ও নির্ধনের পার্থক্য চরম মাত্রায় বৃদ্ধি পাবে।
৪. মানব শরীরের কোষের গঠন শৈলী পরিবর্তনসহ কোষ মেরে ফেলতে পারে।
৫. এ প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে অদক্ষরা ক্রমশ কর্মহীন হয়ে যাবে।
ন্যানো প্রযুক্তির অসুবিধাগুলো সতর্কতার সাথে এড়িয়ে চলে এর সুবিধাগুলো গ্রহণ করতে পারলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।