1 Answers
আমাদের ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমেই আমরা বস্তু বা ঘটনা প্রত্যক্ষ করি। তেমনি ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমেই পায়ে নরম জিনিসের স্পর্শ লাগায় D মনে করল যে সে জিনিসটা হলো সাপ। যেহেতু স্থানটি ছিল অন্ধকার। এটা তার ভ্রান্ত নিরীক্ষণের কারণেই হয়েছে। কেননা একটা বস্তু যেভাবে আছে কিংবা একটা ঘটনা যেভাবে ঘটে, তাকে ঠিক সেভাবে না দেখে অন্যভাবে দেখা হলে ভ্রান্ত নিরীক্ষণের অনুপপত্তি ঘটে। অর্থাৎ আমরা এক বস্তুকে অন্য বস্তু বলে ভুল করি। যেমন- উদ্দীপকের D এর পায়ে নরম জিনিসের স্পর্শ লাগলে সে সাপ মনে করে লাফিয়ে ওঠে। আমরা আসলে যা দেখি তাকে অন্য কিছু বলে ধারণা করি। ভ্রান্ত নিরীক্ষণ হচ্ছে একটা সদর্থক অনুপপত্তি। কারণ এখানে আমরা কোনো একটা বিষয় নিরীক্ষণ করি, যদিও বিষয়টাকে ভুলভাবে নিরীক্ষণ করি। সর্বোপরি নিরীক্ষণের জন্য কোনো গবেষণাগারে, বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ইত্যাদিও প্রয়োজন হয় না। কেবল আমাদের প্রাকৃতিক শক্তি পঞ্চইন্দ্রিয়ের মাধ্যমেই প্রকৃতিতে যেভাবে ঘটনা ঘটে, সেভাবে তাকে নিরীক্ষণ করা যায়। আর ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানই হচ্ছে নিরীক্ষণ। উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায় যে, উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যক্তিগত ভ্রান্ত নিরীক্ষণের গুরুত্ব অপরিসীম।