1 Answers

উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়ের সাথে পাঠ্যপুস্তকের কার্যকারণ সম্পর্ক প্রমাণের পরীক্ষণ পদ্ধতি হিসেবে পরিশেষ পদ্ধতির সাদৃশ্য রয়েছে। নিচে পরিশেষ পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-

'পরিশেষ পদ্ধতি' কথাটির অর্থ হচ্ছে বিয়োগফল বা অবশিষ্ট অংশ। এ পদ্ধতি হচ্ছে এমন এক পদ্ধতি, যার দ্বারা কোনো জটিল ঘটনাকে ব্যাখ্যা করার সময় যদি দেখা যায়, পূর্ববর্তী ঘটনার সমষ্টির মধ্যে কিছু অংশ অনুবর্তী ঘটনা সমষ্টির কিছু অংশের কারণ বলে আমাদের পূর্ব থেকেই জানা আছে, তাহলে আমরা সমগ্র অংশ থেকে জানা অংশকে বিয়োগ করে অবশিষ্ট পূর্ববর্তী ঘটনাকে অবশিষ্ট পরবর্তী ঘটনার কারণ বলে সিদ্ধান্ত করি। মিল এর মতে, পরিশেষ পদ্ধতি হচ্ছে ব্যতিরেকী পদ্ধতির একটি বিশেষ পরিবর্তিত অবস্থা।

পরিশেষ পদ্ধতির সংজ্ঞা দিতে গিয়ে মিল বলেন, "প্রদত্ত কোনো ঘটনা থেকে এমন অংশ বাদ দিতে হবে, যা ইতিপূর্বেই। আরোহ অনুমানের সাহায্যে পাওয়া কতগুলো পূর্ববর্তী ঘটনার কার্য বলে জানা গেছে। তাহলেই ঘটনাটির বাকি অংশ হবে অবশিষ্ট পূর্ববর্তী ঘটনার কার্য।"

যুক্তিবিদ মেলোন এর প্রয়োগ করতে গিয়ে বলেন, "একটি জটিল ঘটনার কোনো অংশবিশেষ যখন নির্ণীত কারণ দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায় না, তখন ঐ অবশিষ্ট অংশের জন্য অন্য একটি কারণ খুঁজতে হবে।" পরিশেষ পদ্ধতির ভিত্তি হিসেবে অপনয়ন সূত্রের নির্দেশ করতে গিয়ে যুক্তিবিদ যোসেফ বলেন, "যা ভিন্ন একটি ঘটনার কারণ হতে পারে না।" অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট কার্যের পেছনে শুধু একটি নির্দিষ্ট কারণই নিহিত থাকে।

সুতরাং যে ঘটনাটি অন্য কোনো ঘটনার কারণ বলে পরিচিত, তা কিছুতেই আরেকটি ঘটনার কারণ হতে পারে না।

5 views

Related Questions