1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত শিক্ষকের বক্তব্যে সাদৃশ্যানুমান আরোহের প্রকৃতি ফুটে উঠেছে। নিচে তা নিরূপণ করা হলো- সাদৃশ্যানুমানের প্রকৃতি বর্ণনা করতে গিয়ে বিভিন্ন যুক্তিবিদ একে বিভিন্নভাবে প্রকাশ করেছেন যেমন: যুক্তিবিদ অ্যারিস্টটল ও তার অনুসারী হোয়েটলি এ প্রকার অনুমানকে যথাক্রমে 'অনুপাতের সমতা' ও 'সম্বন্ধের সাদৃশ্য' বলে ব্যক্ত করেছেন, তাদের মতে চারটি ভিন্ন পদকে অবলম্বন করে সাদৃশ্যানুমান গঠন করা হয়। যেমন: ক-এর সাথে খ-এর সম্বন্ধ হচ্ছে গ-এর সাথে ঘ-এর সম্বন্ধের অনুরূপ; প্রথম সম্বন্ধ থেকে একটি বিশেষ ফল পাওয়া যায়। সুতরাং অনুমান করা হয়, দ্বিতীয় সম্বন্ধ থেকেও উক্ত ফল পাওয়া যাবে। আবার রাজা ও প্রজার মধ্যকার সম্পর্ক পিতা ও সন্তানের মধ্যকার সম্পর্কের অনুরূপ। সন্তানের কর্তব্য হচ্ছে পিতার আদেশ পালন করা, সুতরাং প্রজার কর্তব্য হচ্ছে রাজার আদেশ পালন করা। আধুনিককালে সাদৃশ্যানুমান একটু ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন : ক ও খ-এর মধ্য প, ফ, ব প্রভৃতি বিষয়ে সাদৃশ্য রয়েছে; ক-এর মধ্যে ম গুণটি রয়েছে।

∴ খ এর মধ্যে ম গুণটি রয়েছে।

আবার মানুষ ও উদ্ভিদের মধ্যে জন্ম, বৃদ্ধি, মৃত্যু, খাদ্য গ্রহণ, বংশবিস্তার ইত্যাদি সাদৃশ্য রয়েছে। মানুষের একটি অতিরিক্ত গুণ, অর্থাৎ প্রাণ আছে।.. উদ্ভিদের ও প্রাণ আছে। উপর্যুক্ত আলোচনায় স্পষ্ট হয়, শিক্ষকের বক্তব্যে সাদৃশ্যানুমানের প্রকৃতি ফুটে উঠেছে।

4 views

Related Questions