1 Answers
তথ্য প্রযুক্তির নৈতিকতার বিচারে জয়িতা চৌধুরী ও জয়ন্তের আচরণ সম্পূর্ণ বিপরীত। জয়িতা ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রতিটি নির্দেশ এবং নিয়ম কানুন মেনে নৈতিকতার পরিচয় দিয়েছে। আর জয়ন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারে অনৈতিকতার পরিচয় দিয়েছে।
১৯৯২ সালে প্রণিত 'কম্পিউটার এথিকস ইন্সটিটিউট'-এর কম্পিউটার এথিকস এর নির্দেশনা অনুসারে, অন্যের বুদ্ধিদীপ্ত বা গবেষণালব্ধ ফলাফলকে নিজের মালিকানা বলে দাবি করা যাবে না। অন্যের তথ্য বা গবেষণা লব্ধ ফলাফল ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়লে অবশ্যই মূল লেখক বা মূল কর্মের স্রষ্টার নাম অবশ্যই সংযোজন করতে হবে এবং কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করতে হবে। এর ব্যতিক্রম হলে তা অবশ্যই নৈতিকতা বিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে, যা 'প্লেজিয়ারিজম অপরাধের আওতাভুক্ত। উদ্দীপকে জয়িতা চৌধুরী এ নৈতিকতা মেনে কাজ করলেও জয়ন্ত তা করে না। অর্থাৎ জয়ন্তর আচরণ 'প্লেজিয়ারিজম' অপরাধের আওতাভুক্ত অর্থাৎ নৈতিকতার বিচারে জয়িতা চৌধুরী নীতি, আদর্শের অধিকারী হলেও জয়ন্ত নীতি, আদর্শহীন একজন অপরাধী।