1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব রুহুল আমিনের শ্রেণিবিন্যাসের ক্ষেত্রে যৌক্তিক বিভাগের 'বিভাজ্য জাতি বা শ্রেণির নাম বিভক্ত উপজাতি বা উপশ্রেণিসমূহের প্রত্যেকের উপর প্রযোজ্য হবে।' নিয়মটি লঙ্ঘিত হয়েছে। নিচে তা নিরূপণ করা হলো- যৌক্তিক বিভাগের ক্ষেত্রে বিভাজ্য জাতি বা শ্রেণির নাম বিভক্ত উপজাতি বা উপশ্রেণিসমূহের প্রত্যেকের উপর প্রযোজ্য হবে। The name of the class divided should be applicable, in the same sense, to each of the subclasses. কারণ বিভক্ত উপজাতি বা উপশ্রেণিগুলো মূলত বিভাজ্য জাতি বা শ্রেণিরই অংশ। কাজেই জাতি বা শ্রেণির নাম দ্বারা উপজাতি বা উপশ্রেণিগুলোকে আখ্যায়িত করাই স্বাভাবিক। যেমন: 'মানুষ' শ্রেণিকে 'সভ্য' ও 'অসভ্য'- এ দুটি উপশ্রেণিতে বিভক্ত করলে উভয়ের উপরই 'মানুষ' নামটি প্রযোজ্য হয়। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে উপশ্রেণি দুটিকে 'সভ্য মানুষ' ও 'অসভ্য মানুষ' নামে অভিহিত করা হয়। উল্লেখ্য, একটি জাতি বা শ্রেণির নাম তার অন্তর্ভুক্ত উপজাতি বা উপশ্রেণিসমূহের উপর প্রযোজ্য হয় না তখনই, যখন কোনো জাতিবাচক বা শ্রেণিবাচক পদকে তার অন্তর্গত উপজাতি বা উপশ্রেণিতে বিভক্ত না করে বরং একক ব্যক্তি বা বস্তুকে তার অভ্যন্তরস্থ অঙ্গপ্রত্যঙ্গে বা গুণসমূহে বিভক্ত করা হয়।
উপর্যুক্ত আলোচনায় প্রতীয়মান হয়, জনাব রুহুল আমিনের শ্রেণিবিন্যাসের ক্ষেত্রে যৌক্তিক বিভাগের বিভাজ্য জাতি বা শ্রেণির নাম বিভক্ত উপজাতি বা উপশ্রেণিসমূহের প্রত্যেকের উপর প্রযোজ্য হবে যে নিয়ম রয়েছে তা লঙ্ঘিত হয়েছে।