1 Answers
উদ্দীপকে রনজুর প্রতিষ্ঠানে আর্থিক প্রেষণার অভাব পরিলক্ষিত হয়। মানুষের অধিকাংশ চাহিদা অর্থ সংক্রান্ত হওয়ায় কর্মক্ষেত্রে অর্থের চাহিদা পূরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রনজু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। দাপ্তরিক সময়সূচি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত হলেও সে প্রতিদিন রাত ৯টা পর্যন্ত কাজ করে। অর্থাৎ রনজু ৪ ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় কাজ করে। প্রতিমাসে- নিয়মিত বেতন পেলেও ৪ ঘণ্টা অতিরিক্ত সময়ের জন্য কোনো অর্থ সে পায় না। এতে রনজু কাজ করতে আনন্দও পায় না। অর্থাৎ রনজু ন্যায্য পারিশ্রমিক পায় না, যা আর্থিক প্রেষণার পরিপন্থি।
4 views
Answered