1 Answers
উদ্দীপকে উৎপাদনের পরিমাণ ও মান বৃদ্ধির জন্য জনাব কায়সারকে অনার্থিক প্রেষণা তথা তদারকি, কর্মীদের মূল্যায়ন, কর্মীদের কাজের মূল্যায়নের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।
অর্থ বা আর্থিক সুযোগ-সুবিধার বাইরে প্রেষণাদানের যে সকল উপায় রয়েছে তার মাধ্যমে প্রেষণাদানকেই অনার্থিক প্রেষণা বলে। শুধু আর্থিক প্রেষণাই কর্মীদেরকে কার্যসম্পাদনে উদ্বুদ্ধ করে না; বরং অনার্থিক প্রেষণা অনেক ক্ষেত্রে কর্মীদেরকে আর্থিক প্রেষণার চাইতেও বেশি প্ররোচিত করে।
উদ্দীপকে জনাব কায়সার তার উৎপাদনশীল প্রতিষ্ঠানে যথেষ্ট আর্থিক সুবিধা দিলেও তাদের কাজ তদারকিতে সময় দিচ্ছেন না। ফলে উৎপাদনের পরিমাণ ও মান হ্রাস পাচ্ছে। এখানে আর্থিক প্রেষণার উপস্থিতি থাকলেও অনার্থিক প্রেষণা বিশেষত তদারকি, কর্মীদের মূল্যায়ন, কর্মীদের কাজের মূল্যায়নের অভাবে উৎপাদনের পরিমাণ ও মান হ্রাস পাচ্ছে। তাই জনাব কায়সারের উচিত হবে প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের জন্য অনার্থিক প্রেষণা তথা তদারকি, কর্মীদের মূল্যায়ন, কর্মীদের কাজের মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা। যা কর্মীদের কার্যসম্পাদনে অনুপ্রাণিত করে তুলবে এবং মনোবল বৃদ্ধি পাবে।
সুতরাং উৎপাদনের পরিমাণ ও মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে জনাব কায়সার কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত যৌক্তিক এবং যথার্থ।