1 Answers

প্রেষণা সম্পূর্ণই অভাবভিত্তিক। ব্যক্তির মধ্যে অভাববোধ বা অভাবের অস্তিত্ব না থাকলে প্রেষণার সুযোগ থাকত না বা দরকারও হতো না। যার অর্থের প্রয়োজন তাকে আর্থিক প্রণোদনার মাধ্যমে, আর যার আত্মমর্যাদা ও সম্মান দরকার তাকে অনার্থিক প্রণোদনার মাধ্যমে প্রেষিত ও অনুপ্রাণিত করতে হয়। কর্মীভেদে বিচিত্র অভাব বিবেচনা করেই প্রেষণামূলক উপকরণ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তাই বস্তুত অভাব থেকেই প্রেষণার সুযোগ। সৃষ্টি হয়।

4 views

Related Questions