1 Answers
কর্মীদের ক্ষোভ ও অসন্তোষ নিরসনে জনাব মেহেরের অনার্থিক প্রেষণা পদ্ধতি প্রবর্তন করা সমীচীন হবে।
অর্থ বা আর্থিক সুযোগ-সুবিধার বাইরে প্রেষণা দানের যে সকল উপায় রয়েছে তার মাধ্যমে প্রেষণা দানকেই অনার্থিক প্রেষণা বলে। স্বাস্থ্যকর কার্যপরিবেশ ও মতামত প্রকাশের সুযোগ এক ধরনের অনার্থিক প্রেষণা। কর্মীরা যেখানে কাজ করে সেই স্থানের পরিবেশ উন্নত হলে এবং কর্মীদের মতামত প্রকাশের সুযোগ দেওয়া হলে তা কর্মীদের মনোবল উন্নত করে।
উদ্দীপকে জনাব মেহের সাভার রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকার একটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক। তিনি তাঁর প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের সব ধরনের আর্থিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকেন। কিন্তু তাদেরকে বিরূপ ও অস্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশে কাজ করতে হয়। এমনকি তাদের কোনো প্রকার মতামত প্রকাশের সুযোগ দেওয়া হয় না। ফলে প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের ভেতর অসন্তোষ ও ক্ষোভের অবস্থা বিরাজ করছে। এ অসন্তোষ ও ক্ষোভ দূর করতে হলে আর্থিক প্রেষণার পাশাপাশি অনার্থিক প্রেষণা প্রদান করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের কর্মীদেরকে কাজের জন্য সুষ্ঠু কার্যপরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে, অর্থাৎ স্বাস্থ্যকর কার্যপরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে এবং কর্মীদের মতামত প্রকাশের সুযোগ দিতে হবে। তবেই কর্মীদের ক্ষোভ ও অসন্তোষ নিরসন হবে।
সুতরাং উদ্দীপকে কর্মীদের ক্ষোভ ও অসন্তোষ নিরসনে জনাব মেহেরের অনার্থিক প্রেষণা পদ্ধতি প্রবর্তন করা সমীচীন হবে।