1 Answers

উদ্দীপকে জনাব সাকিবের নেতৃত্বের ধরন হলো গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব। পক্ষান্তরে, জনাব রিপনের নেতৃত্বের ধরন হলো স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব। যে নেতৃত্বে নেতা তার ক্ষমতা কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিকেন্দ্রিকরণ করে কর্মীদের সাথে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন তাকে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব বলা হয়। পক্ষান্তরে, যখন নেতা সকল ক্ষমতা তার নিজের হাতে রেখে কাজ সম্পর্কে নিজের মতামত ব্যক্ত করেন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নিজেই মুখ্য ভূমিকা রাখেন, তখন তাকে স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব বলে। উদ্দীপকে দেখা যায়, ক্রয় ব্যবস্থাপক জনাব, সাকিব প্রাতিষ্ঠানিক কাজে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের মতামত গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় কর্তৃত্ব অধস্তনদের কাছে হস্তান্তর করেন অর্থাৎ তিনি গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব অনুসরণ করেন। গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব অধস্তনদের সাথে আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এ নেতৃত্বে কর্মীরা উৎসাহ নিয়ে কাজ করে। পক্ষান্তরে, অর্থ বিভাগের ব্যবস্থাপক জনাব রিপন কারও সাথে পরামর্শ না করে নিজের মতো করে কাজ করেন। অধস্তনদের প্রয়োজনাতিরিক্ত আদেশ প্রদান, ভয়-ভীতি প্রদর্শন এবং অহেতুক তাদের কাজে হস্তক্ষেপ করেন অর্থাৎ তিনি স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব অনুসরণ করেন। স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেতা মনে করেন তিনি যা বলেন, যা করেন এবং যে সিদ্ধান্ত দেন সেটিই সঠিক। এ জাতীয় নেতা ভীতি, ধমক, ক্ষমতা ও শক্তি প্রয়োগ করে কর্মীদের কাজ আদায় করেন। সুতরাং বলা যায়, জনাব রিপনের স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বের সাময়িক ফল কিছুটা ভালো মনে হলেও স্থায়ী ফল ভালো নয়। পক্ষান্তরে, জনাব সাকিবের নেতৃত্বের ধরন গণতান্ত্রিক হওয়ায় এর দীর্ঘমেয়াদি ফল ভালো।

5 views

Related Questions