1 Answers

উদ্দীপকে রিপনের ব্যবসায়িক কর্মকান্ড এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আমি মনে করি।

আধুনিক বিশ্বে ব্যবসায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশা হিসেবে স্বীকৃত। আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নতিতে ব্যবসায়ের গুরুত্ব অপরিসীম।

উদ্দীপকে রিপন তার বাড়ির পাশে পতিত জমিতে একটি নার্সারি গড়ে তোলেন। তিনি উন্নতমানের গাছের চারা সরবরাহ করায় জনপ্রিয়তা অর্জনের পাশাপাশি পর্যাপ্ত মুনাফা অর্জন করেন। ব্যবসায়ের পরিধি বৃদ্ধি পেলে তিনি তার নার্সারিতে কয়েকজন কর্মী নিয়োগ দেন। এর ফলে তিনি নিজের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি এলাকার অন্যান্য যুবকদের কর্মসংস্থানের বাবস্থা করেছেন। ফলে দেশের মাথাপিছু ও জাতীয় আয় বৃদ্ধি পায়। তিনি উন্নতমানের গাছের চারা সরবরাহ করে সমাজের কল্যাণ সাধন করেন। রিপনের দেখাদেখি অন্যান্য যুবকরাও যদি এ রকম ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন তাহলে এলাকার বেকার সমস্যা দূর হয়ে সমাজের উন্নয়ন ঘটবে।

রিপনের ব্যবসায়ের মাধ্যমে যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং তাদের আরও আয়ের সুযোগ সৃষ্টির ফলে দেশের মাথাপিছু ও জাতীয় আয় বৃদ্ধি পায়। তাই বলা যায়, রিপন তার ব্যবসায়িক কর্মকান্ডের মাধ্যমে এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।

4 views

Related Questions