1 Answers
"নতুন সমস্যার সমাধানে কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি প্রশিক্ষণও দিতে হবে"- উদ্দীপকের এই উক্তিটির সাথে আমি জোরালোভাবে একমত পোষণ করছি।
কর্মীর কার্যদক্ষতা বৃদ্ধির জন্য তত্ত্বগত জ্ঞানের পাশাপাশি হাতে- কলমে শিক্ষাদানের আনুষ্ঠানিক প্রয়াসকে প্রশিক্ষণ বলে। প্রশিক্ষণ হলো কর্মী উন্নয়নের একটা আনুষ্ঠানিক উপায় বা পদ্ধতি। কর্মীর কার্যদক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই।
উদ্দীপকের পূর্ণিমা কনফেকশনারির তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, জুলাই মাসে উৎপাদন বিভাগের ১০ জন দক্ষ কর্মী চাকরি ছেড়ে প্রতিষ্ঠানটি নতুন সমস্যার সম্মুখীন হয় অর্থাৎ উৎপাদন বিভাগে নতুন জনবল নিয়োগ দেওয়া জরুরি হয়ে দাঁড়ায়। যেহেতু একসাথে ১০ জন দক্ষ কর্মী চাকরি ছেড়ে গেল তাই সমানসংখ্যক দক্ষ কর্মী প্রয়োজন। কিন্তু প্রয়োজনীয় সংখ্যক দক্ষ কর্মী দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে বিধায় কিছুসংখ্যক দেওয়া যেতে পারে। আর কর্মী নিয়োগ দিলেই হবে না কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদেরকে প্রতিষ্ঠানের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। নতুবা প্রতিষ্ঠান তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে ব্যর্থ হবে।
তাই বলা যায়, পূর্ণিমা কনফেকশনারি নতুন সমস্যা সমাধানে কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি প্রশিক্ষণও দিতে হবে- এ ব্যাপারে আমার একমত পোষণ নিঃসন্দেহে যথার্থ।