1 Answers
উদ্দীপকে আযানের ধ্বনিতে ঘুম ভাঙে রাজিবের। পাখির কলরবে মুখরিত হয় চারপাশ ভোর হওয়ার পূর্বাভাস পেয়ে সে পড়তে বসে। ঘড়িতে নয়টা বাজার সংকেত শোনার সঙ্গে সঙ্গে রাজিব কলেজে চলে যায়। ক্লাসে গুরুত্বপূর্ণ কোনো প্রশ্নের কথা বললে রাজিব বইয়ের পৃষ্ঠায় তিনটি তারকা চিহ্ন দিয়ে রাখে। সুতরাং, রাজীবের দৈনন্দিন জীবনে সংকেতের ব্যবহার লক্ষ করা যায়। আমাদের দৈনন্দিন জীবনেও সর্বত্রই সংকেতের ব্যবহার লক্ষ করা যায়। যেমন- শেষ রাতের 'আযানের ধ্বনি' বা 'পাখির কলরব', রাত ভোর হওয়ার সংকেত বহন করে। স্কুল ও কলেজে নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে প্রতিটি ঘণ্টার শব্দ ক্লাস শেষের সংকেত প্রদান করে। ঘরের ভিতর থেকে 'ঠক ঠক' শব্দ দরজায় দাঁড়ানো আগুন্তকের সংকেত বহন করে। ব্যবহারিক জীবনে এক ধরনের মাথা নাড়ানো হচ্ছে মস্তিষ্ক বিকৃতি এবং আর এক ধরনের মাথা নাড়ানো হলো সম্মতির সংকেত, এছাড়াও এক প্রকার ডাক (কুহু) কোকিলের উপস্থিতি আর এক প্রকার ডাক (কা কা) কাকের উপস্থিতি নির্দেশ করে।
বড় রাস্তার মোড়ে 'তীর চিহ্নটি' (→) হচ্ছে পরবর্তী রাস্তার নির্দেশ, আর রাস্তার পাশে হাত উঠানো হচ্ছে চলন্ত গাড়ি থামানোর সংকেত। এক ধরনের সাইরেন 'আসন্ন বিপদ' এবং অন্য ধরনের সাইরেন 'বিপদ কেটে যাওয়ার' সংকেত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কাজেই আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সংকেতের ব্যবহার অনেক বেশি।