1 Answers
উদ্দীপকে বর্ণিত পরিস্থিতিতে পরিকল্পনা প্রণয়নের ভবিষ্যৎ সুযোগ-সুবিধা মূল্যায়ন পদক্ষেপটি উপেক্ষিত হওয়ার কারণে প্রতিষ্ঠানটি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বলে আমি মনে করি।
প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও দুর্বলতা এবং বাহ্যিক সুযোগ ও বাধা চিন্তায় নিয়ে ভবিষ্যৎ অবস্থা কেমন হতে পারে তার আগাম মূল্যায়নকে পরিকল্পনা প্রণয়নে ভবিষ্যৎ মূল্যায়ন বলে। এক্ষেত্রে বাইরের বিভিন্ন পক্ষ; যেমন গ্রাহক, প্রতিযোগী, সরবরাহকর্মী ইত্যাদি পক্ষের প্রতিক্রিয়া গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করার প্রয়োজন পড়ে। অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন বিষয়, যেমন, আর্থিক সুযোগ-সুবিধা, যন্ত্রপাতির মান, ব্যবস্থাপক ও কর্মীদের দক্ষতা ইত্যাদিও এক্ষেত্রে বিবেচনা করতে হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, মিতালী ফ্যাশনস লি. কোম্পানির ১ লক্ষ পিস টি-শার্ট উৎপাদন এবং বিক্রয় করে। পরবর্তীতে অন্য ডিজাইনের বাৎসরিক ১লক্ষ পিস টি-শার্ট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে উৎপাদন ক্ষমতা পূর্বের সমপরিমাণ রয়েছে যা বৃদ্ধি করা হয়নি। পূর্বে ২ বছরে ১ লক্ষ টি-শার্ট উৎপাদন করলেও পরবর্তীতে ১ বছরে উক্ত উৎপাদন ক্ষমতা দিয়ে ১ লক্ষ টি শার্ট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে যা উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি ব্যতীত বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ সুযোগ-সুবিধা মূল্যায়ন করা হয়নি।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত পরিস্থিতিতে পরিকল্পনা প্রণয়নের ভবিষ্যৎ সুযোগ-সুবিধা মূল্যায়ন পদক্ষেপটি উপেক্ষিত হওয়ার কারণে প্রতিষ্ঠানটি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বলে আমি মনে করি।