1 Answers

উদ্দীপকে পরিকল্পনা প্রণয়নের চতুর্থ পদক্ষেপে রয়েছে বিকল্পসমূহ •মূল্যায়ন যা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সময়োপযোগী একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রতিটি বিকল্প ব্যবস্থা পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে মূল্যায়ন করতে হবে। এ পর্যায়ে বিকল্প ব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতা, কার্যকারিতা, উৎকর্ষতা, ব্যয়, নৈতিকতা ইত্যাদি যাচাই করা হয়।

উদ্দীপকে পরিকল্পনা প্রণয়নের চতুর্থ পদক্ষেপ রয়েছে বিকল্পসমূহ মূল্যায়ন যা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণকালে বিকল্পসমূহ নির্দিষ্ট করার পর তা যথাযথ মূল্যায়নের প্রয়োজন পড়ে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের সামর্থ্য ও সম্ভাবনা দুর্বলতা ঝুঁকির দিকগুলো বিবেচনা করতে হয়। নতুন একটা শিল্প ইউনিট প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত, নতুন প্রকল্পে প্রয়োজনীয় মূলধন সংস্থানের সিদ্ধান্ত, নতুন বাজারজাতকরণ প্রসার কর্মসূচি গ্রহণের 'সিদ্ধান্ত ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিকল্পসমূহকে নানান বিশ্লেষণের মধ্যে দিয়ে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করার প্রয়োজন পড়ে। এক্ষেত্রে বিকল্পসমূহ অনুমিত অবস্থা ও লক্ষ্যের আলোকে বিবেচনা করতে হয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে পরিকল্পনা প্রণয়নে বিকল্পসমূহ মূল্যায়ন অপরিহার্য।

পরিশেষে বলা যায়, উপরিউক্ত পদক্ষেপ অনুসরণের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনা বা নির্বাহী যেকোনো প্রাতিষ্ঠানিক সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবে বলে আশা করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনসহ প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা ও সফলতার দিকে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।

5 views

Related Questions