1 Answers
অমাধ্যম অবরোহ অনুমানে আশ্রয়বাক্যের উদ্দেশ্যের স্থলে বিধেয় এবং বিধেয়য়ের স্থলে উদ্দেশ্যকে গ্রহণ করে সিদ্ধান্ত নিঃসৃত হয় তাই হলো আবর্তন। উদ্দীপকে সোনালির বক্তব্য হলো- সকল কবি যদি মানুষ হয় তবে সকল মানুষকে কবি বলা যায় না কেন বা সার্বিক সার্থক বাক্য হলো A-বাক্য। A বাক্যের সরল আবর্তন হয় না। সরল আবর্তনে আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের পরিমাণ একই থাকে। যদি A-বাক্যের সরল আবর্তন A-বাক্য করা হয় তবে আবর্তনের চতুর্থ নিয়মের লঙ্ঘন হবে। অর্থাৎ-আবর্তনীয়ের অব্যাপ্য পদ আবর্তিতে এসে ব্যাপ্য হতে পারবে না। যেমন A-সকল কবি হন মানুষ। A- সকল মানুষ হন কবি।
এই উদাহরণে আবর্তনীয়ের বিধেয় পদ মানুষ অব্যাপ্য কিন্তু আবর্তিতের উদ্দেশ্যে এসে ব্যাপ্য হয়েছে বা চতুর্থ নিয়মের সরাসরি লঙ্ঘন। এই জন্য সকল মানুষ হয় কবি। এটা বলা যাবে না। এটিকে বলা হয় A-বাক্যের সরল আবর্তনজনিত অনুপপত্তি। সুতরাং, উদ্দীপক অনুযায়ী, একথা বলা যায় যে, সোনালির যে বক্তব্য তথা সব মানুষকে কবি বলা যায় না। কারণ সকল কবি মানুষকে A- বাক্যকে সরল আবর্তন করা যায় না। করলে ৪র্থ নিয়মের লঙ্ঘন হবে এবং A-বাক্যের সরল আবর্তনজনিত অনুপপত্তি ঘটবে।