নামবাচক পদের বিষয়ে তিমার বক্তব্য তুমি কি সমর্থন কর? উত্তরের স্বপক্ষে যুক্তি দাও। (উচ্চতর দক্ষতা)
1 Answers
না, আমি কখনো তিমার বক্তব্যের সাথে একমত পোষণ করি না যে, নামবাচক পদের কোনো অর্থ নেই। কোনো পদ যখন কোনো নাম কে নির্দেশ করে তখন সেই পদকে 'নামবাচক পদ' বলা হয়। যেমন- সুনন্দা, সমাপ্তি ইত্যাদি। এই সব নাম দ্বারা কোনো ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। যুক্তিবিদ জেভন্স, ব্র্যাডলি, বোেসাঙ্কোয়েট, কার্ডের্থ রীড ও পি. কে রায় মনে করেন, নামবাচক পদগুলো জাত্যর্থক। কিন্তু যুক্তিবিদ মিল মনে করেন নামবাচক পদগুলো কোনো মতেই জাত্যর্থক নয়, নামবাচক পদগুলো অজাত্যর্থক। যুক্তিবিদ জেভন্স মনে করেন, নামবাচক পদগুলো সত্যিই জাত্যর্থক। এই পদগুলো অর্থহীন শব্দ নয় বা অজাত্যর্থক নয়। কারণ এই পদগুলো অন্যান্য জাত্যর্থক পদের মতো ব্যক্তি বা বস্তুর নির্দেশ দান করে। আর যে সমস্ত ব্যক্তি বা বস্তুর নির্দেশ দান করে সেগুলো আমাদের চেনা, অভিজ্ঞতার বাইরের কোনো বিষয় নয়। আমরা সাধারণত ব্যক্তি বা বস্তুর অপরিহার্য গুণ বা জাত্যর্থের মাধ্যমে কোনো বস্তুকে চিনে থাকি। নামবাচক পদগুলোকে যেহেতু আমরা চিনি বা জানি সেহেতু তাদের জাত্যর্থ আছে বলে স্বীকার করি। যেমন- 'রহিমা' বা 'সালমা' বললেই আমরা কোনো মেয়ের নাম বুঝে থাকি। আবার 'রহিম' বা 'করিম' বললেই আমরা কোনো ছেলের নাম বুঝে থাকি। সুতরাং 'রহিমা' বা 'সালমা'র জাত্যর্থ হলো 'মেয়েত্ব'। আবার 'রহিম' বা 'করিমের' জাত্যর্থ হলো 'ছেলেত্ব'।
সুতরাং নামবাচক পদগুলো যথার্থই জাত্যর্থক। যুক্তিবিদ জেভন্সের এ মত সমর্থন করেন ব্র্যাডলি, বোেসাঙ্কোয়েট, কার্ভেথ রীড প্রমুখ যুক্তিবিদ।