1 Answers

উদ্দীপকের শিক্ষক মহোদয়ের কথার সূত্র ধরে বলা যায় যে, পদ ও শব্দের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। যে শব্দ বা শব্দসমষ্টি কোনো বচনের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসাবে ব্যবহৃত হয় তা হলো পদ। অপরদিকে আমাদের চিন্তা, ইচ্ছা, অনুভব করার কথিত বা লিখিত চিহ্নকে শব্দ বলে। শব্দ বা শব্দের সমষ্টি হলো পদ। আবার ধ্বনি বা অক্ষরের সমষ্টি হলো শব্দ। প্রত্যেক শব্দ পদ নয়, কিন্তু প্রত্যেক পদই শব্দ। কারণ বাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসাবে ব্যবহৃত হয় যে সব শব্দ সেগুলো হলো পদ, আর যেগুলো উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসাবে ব্যবহৃত হতে পারে না সেগুলো শব্দ। একটি যৌক্তিক বাক্যে বা যুক্তিবাক্যে দুটির অধিক পদ থাকে না। তা হলো উদ্দেশ্য পদ ও বিধেয় পদ। কিন্তু একটি যুক্তিবাক্যে বহু শব্দ থাকতে পারে। যেমন: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা হয় মেধাবী এই যুক্তিবাক্যে পদ দুটি হলেও শব্দ রয়েছে ছয়টি। একটি পদের কেবল একটিই অর্থ থাকে। কিন্তু একটি শব্দের একাধিক অর্থ থাকতে পারে। যেমন- 'বল' বলতে খেলাধুলার একটি সামগ্রী হতে পারে, আবার 'বল' মানে শক্তিকেও বোঝাতে পারে। কিন্তু পদের দ্ব্যর্থক অর্থ থাকতে পারে না। পদ দ্বারা কেবল চিন্তা প্রকাশিত হয়; আবেগ, ইচ্ছা, অনুভূতি প্রকাশিত হয় না। অপরদিকে শব্দ দ্বারা বিস্ময় সংশয়, আবেগ, ইচ্ছা, অনুভূতি প্রকাশিত হয়।

সুতরাং, উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি সকল পদই শব্দ কিন্তু সকল শব্দ পদ নয়। আর এদের পার্থক্য বেশ লক্ষণীয় 

5 views

Related Questions