1 Answers
উদ্দীপকটিতে পথচারীর শেষ উক্তিটি হলো ফরমালিনের বিষয়টি ব্যবসায়ী, ভোক্তা, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিসহ সবার কাছে Open-Secret সরকার প্রশাসনকে ফরমালিন প্রতিরোধে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বললেও কোনো ফল আসছে না। ফরফালিন ব্যবহার রোধ করা গেলে মানুষ বেঁচে যেতে পারে বহু জটিল রোগের সংক্রমণ থেকে। বিষয়টি ব্যবসায় নৈতিকতার সাথে সম্পর্কিত। সাধারণত ক্রয়-বিক্রয় ও পণ্যের আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে নৈতিক মানদন্ডের যথাযোগ্য প্রয়োগকে ব্যবসায় নীতিবিদ্যা বলে। আর এ কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা হলেন ব্যবসায়ী। এক্ষেত্রে ব্যাখ্যাসংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়কে ন্যায়-অন্যায় ও যৌক্তিকভিত্তিতে বিশ্লেষণের দরকার পড়ে। তাহলেই মানুষের কাছে তা গ্রহণযোগ্য হয়। যেসব নিয়ম-নীতি পণ্যের মান রক্ষায় নিশ্চয়তা বিধান করে সেগুলো সংশ্লিষ্ট ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনুশীলন করার যৌক্তিক ভিত্তিটা দৃঢ় হওয়া উচিত। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মালিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, পরিবেশক, এজেন্ট, মূলধন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট সকলেরই সমাজের প্রতি ন্যায়সম্মত ও সুষম মনোভাব থাকা দরকার। অর্থাৎ ব্যবসায়ীমহল যথার্থ অর্থে সচেতন ও সহানুভূতিশীল থাকলে ক্রেতাসমাজ তথা সমগ্র জাতি একটা সুস্থির ও সন্তোষজনক অবস্থায় জীবনযাপন করতে সমর্থ হয়। তবে বিপরীতক্রমে ব্যবসায়ীদের ন্যায়সম্মত দাবি ও অধিকারের প্রতি ক্রেতা সমাজকেও যুক্তিযুক্ত কারণে শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে যাতে ব্যবসায়ীরা তাদের পেশাটি সাবলীল ও স্বাচ্ছন্দ্যে চালিয়ে নিতে পারে। এ কাজগুলো করা সম্ভব হলেই পণ্যে ফরমালিন দেওয়া বন্ধ করা যাবে।