1 Answers
যুক্তিবিদ্যাকে আমরা ব্যবহারিক বিজ্ঞান হিসাবে বিবেচনা করতে পারি। ব্যবহারিক বিজ্ঞান কোনো একটি বিশেষ বিজ্ঞানের অর্জিত জ্ঞানকে নংশ্লিষ্ট বিভাগের বাস্তব দৃষ্টান্তের বেলায় প্রয়োগ করে ঐ জ্ঞানের সত্যতা যাচাই করে নেয়। এখানে উল্লেখযোগ্য যে, প্রায় প্রতিটি বিজ্ঞানের ক্ষেত্রেই দুটি দিক লক্ষ্য করা যায়। একটি তার অজ্ঞাত দিক অন্যটি ব্যবহারিক দিক। তত্ত্বগত বিজ্ঞানের মাধ্যমে যে জ্ঞান অর্জিত হয় তা আবার ব্যবহারিক বিজ্ঞানের মাধ্যমে বাস্তবে প্রয়োগ করে দেখা হয়। সুতরাং, এই দু প্রকারের বিজ্ঞান একে অপরের পরিপূরক। যে তত্ত্বমূলক বিজ্ঞানের কোনো ব্যবহারিক মূল্য নেই তা একেবারেই মূল্যহীন। মূলত, সেটি মানুষের কোনো কাজে আসে না। আবার যে ব্যবহারিক বিজ্ঞানের কোনো তত্ত্বগত দিক নেই তা অন্তঃসারশূন্য। তা মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় না। তাই তত্ত্বমূলক বিজ্ঞান ও ব্যবহারিক বিজ্ঞানকে একসাথে চলতে হয়। যুক্তিবিদ্যার যে ব্যবহারিক দিক আছে এটা আমরা বলতে পারি। যুক্তিপদ্ধতি সম্পর্কে যুক্তিবিদ্যা কতগুলো নিয়ম প্রণয়ন করে এবং সেগুলো সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানদান করে। এ হিসাবে এটি একটি তত্ত্বমূলক বিজ্ঞান। তবে এর একটি ব্যবহারিক দিকও আছে। এটি যেসব যুক্তিপদ্ধতি প্রণয়ন করে সেগুলো আমাদের চিন্তা জগতের বাস্তবক্ষেত্রে প্রয়োগ করে সত্যতাকে অর্জন করার ব্যাপারে আমাদের সহায়তা করে। সুতরাং, আমরা একথা বলতেই পারি যে, যুক্তিবিদ্যা একটি ব্যবহারিক বিজ্ঞান।