1 Answers

যুক্তিবিদ্যাকে সকল বিজ্ঞানের মূল বিজ্ঞান বলা হয়। প্রতিটি বিজ্ঞানের নিজস্ব নীতিমালা ও আবিষ্কার যুক্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। নীতিমালা ও আবিষ্কারের মধ্যে যুক্তি কৌশল ও তার বৈধতার যুক্তি উপস্থাপিত হয়। পদার্থবিজ্ঞানের কথা যদি ধরি তবে আমরা দেখি যে, প্রত্যেক পদার্থ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কলা দ্বারা গঠিত। পদার্থবিদগণ কয়েকটি পদার্থের উপর নিরীক্ষণ চালিয়ে এই সিদ্ধান্তে উপস্থিত হন। মূলত এই বিষয়টি যুক্তিবিদ্যার আরোহ অনুমানের সাথে সম্পর্কযুক্ত, যেখানে বলা হয়েছে যে, বিশেষ দৃষ্টান্তের সাহায্যে সার্বিক দৃষ্টান্তে উপনীত হওয়া যায়। কয়েকজন মানুষের মৃত্যুর অভিজ্ঞতা থেকে আমরা এটা বলি যে, সকল মানুষ মরণশীল। এভাবেই আমরা বলতে পারি যে, বিভিন্ন বিজ্ঞান প্রকৃতির বিভিন্ন বিভাগীয় সত্যকে অনুসন্ধান করতে চায়, আর এ সত্যকে আবিষ্কারের জন্য সকল বিজ্ঞানকে যুক্তিবিদ্যার উপর নির্ভর করতে হয়। প্রতিটি বিজ্ঞানই তাদের নিজ নিজ পারিভাষিক শব্দের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন ঘটনা ও বিষয়কে শ্রেণিকরণ করে। যুক্তিবিদ্যাও সংজ্ঞা, ব্যাখ্যা ও শ্রেণিকরণ নিয়ে আলোচনা করে এবং সাধারণ নিয়ম নির্দেশ করে। সকল বিজ্ঞানকেই তার নিয়মের কাঠামোর জন্য যুক্তিবিদ্যার উপর নির্ভর করতে হয়। যুক্তিবিদ্যা মূলত অন্যান্য বিজ্ঞানের ভিত্তিমূলক হিসাবে কাজ করে। যুক্তিবিদ্যা হলো সকল বিজ্ঞানের মধ্যে সর্বাপেক্ষা সাধারণ। যে নিয়মাবলি সব বিজ্ঞানেরই সাধারণ ভিত্তি তার নাম যুক্তিবিদ্যা। এই কারণে আমরা যুক্তিবিদ্যাকে সকল বিজ্ঞানের বিজ্ঞান বলতে পারি।

5 views

Related Questions