1 Answers
সেলিম সাহেব ও আওলাদ সাহেব দুটি ভিন্ন জাতের আখ ঈশ্বরদী-২০ ও ঈশ্বরদী-১৬ চাষ করেন।
আখ চাষের প্রচলিত পদ্ধতিগুলোর মধ্যে নালা পদ্ধতি উত্তম। সেলিম সাহেব নালা পদ্ধতিতে দু'সারি ঈশ্বরদী-২০ আখ চাষ করে। এজন্য সে ৩০ সেমি গভীর নালা তৈরি করেছিলেন যাতে নালার উপরের দিকে ৪০ সেমি ও নিচের দিকে ৩০ সেমি চওড়া থাকে। বীজ আখ রোপণের পর ৫-৭ সেমি মাটি দিয়ে তা ঢেকে দিয়েছিলেন। ফলে আখের বীজ আঙ্কুরোদগমের হার বেশি ছিল। এ জাতটি বন্যা ও জলাবদ্ধতা সহিষ্ণু উচ্চ ফলনশীল জাত। ফলে তার ফলন বেশি হয়েছিল।
অন্যদিকে, আওলাদ সাহেব ঈশ্বরদী-১৬ জাতটি চাষ করেন। যা বর্তমানে সবচেয়ে উন্নত জাত। এ জাতের আখে চিনির পরিমাণ বেশি, ছোবড়ার পরিমাণ কম থাকে। তাই ফলন ভালো হয়। তারা বীজ রোপণের পূর্বে বীজ শোধন করেছিলেন। তাই ছত্রাকজনিত লাল পচা রোগ প্রাদুর্ভাব বিস্তার করতে পারেনি।
পরিশেষে বলা যায়, আখ চাষের ক্ষেত্রে তাদের সঠিক জাত নির্বাচন ও সচেতনতা তাদের আখ চাষে সফলতা নিয়ে আসে। ফলে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া উৎপাদিত চিনি বিদেশে রপ্তানি করে দেশের অর্থনীতি সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।