1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত ফসলটি হলো চন্দ্রমল্লিকা।

বীজ, সাকার ও শাখা কলম থেকে চন্দ্রমল্লিকার চারা তৈরি করা যায়। চন্দ্রমল্লিকার বীজ থেকে চারা করলে তা থেকে ভালো ফুল পাওয়া যায় না এবং ফুল পেতে অনেক দিন লেগে যায়। অন্যদিকে ডাল কেটে শাখা কলম করলে বা সাকার থেকে চারা করলে এ ধরনের সমস্যা থাকে না।

জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে শাখা কলম করা শুরু হয়। এক বছর বয়সী সতেজ-সবল ডাল থেকে ৮-১০ সেমি লম্বা ডাল তেরছাভাবে কেটে বেডে বা বালতিতে বসিয়ে দিলে তাতে শিকড় গজায়। এগুলো এক মাসের মধ্যে রোপণের উপযোগী হয়। সাকার পদ্ধতিতে চন্দ্রমল্লিকার বংশবৃদ্ধিতে ফেব্রুয়ারি মাসের দিকে যখন ফুল দেওয়া শেষ হয়ে যায় তখন গাছগুলোকে মাটির উপর থেকে ১৫-২০ সেমি রেখে কেটে দেওয়া হয়। কিছুদিন পর ওসব কাটা জায়গার গোড়া থেকে কিছু সাকার বের হয়। এসব সাকার ৫-৭ সেমি লম্বা হলে শিকড়সহ প্রতিটি শাখা মা গাছ থেকে আলাদা করে ছায়াময় বীজতলায় বা টবে লাগানো হয়। এরপর আলাদা করা শাখা একটু গর্ত করে ১' × ১' দূরত্বে সারি করে লাগাতে হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী সেচ দিতে হয়। মে-জুন মাসের মধ্যে চারা বড় হয়ে গেলে মূল বেডে রোপণ করা যায়। অতএব, উল্লিখিত বিভিন্ন পদ্ধতিতে চন্দ্রমল্লিকা ফুলের বংশবিস্তার করা যায়।

4 views

Related Questions