1 Answers

জুরান মিয়া তার জমিতে ২টি ভিন্ন দেশি জাতের পাটের চাষ করেন এবং তিনি পাটের আঁশ বিক্রির পাশাপাশি পাট শাক ও পাট খড়ি বিক্রি করায় অধিক লাভবান হন। জুরান মিয়া তার জমিতে ঘন করে পাটের চারা রোপণ করেছিলেন। তাই তিনি কচি অবস্থায় কিছু পাট গাছ জমি থেকে তুলে শাক হিসেবে বিক্রি করেন। বাজারে পাট শাকের ভালো চাহিদা থাকায় তিনি এভাবে বেশ কিছু টাকা আয় করেন। তিনি পাট চাষ সম্পর্কে সচেতন থাকায় জাত দুটির সঠিক সংগ্রহের সময় জমি থেকে পাট কাটেন। এতে করে তিনি পাট হতে ভালো মানের আঁশ ও পাট খড়ি পান। আঁশ থেকে সুতা, ব্যাগ, বস্তা, পর্দা, কার্পেট ইত্যাদি তৈরি হয়। তাই পাটের ভালো মানের আঁশের বাজারমূল্য অনেক বেশি থাকায় তিনি ভালো অঙ্কের অর্থ উপার্জন করেন। এছাড়াও জ্বালানি, ঘরবাড়ি তৈরি, ক্ষেতের বেড়া, কাগজ, হার্ডবোর্ড তৈরিতে পাটখড়ির বিশেষ চাহিদা থাকায় তিনি পাটখড়ি বিক্রি করেও অনেক লাভবান হন। উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, সঠিক চাষ পদ্ধতি অবলম্বন এবং পাট হতে প্রাপ্ত প্রতিটি উপকরণের যথাযথ ব্যবহার করার কারণে জুরান মিয়া লাভবান হয়েছেন।

5 views

Related Questions