1 Answers
উদ্দীপকে গণি মিয়া সনাতন পদ্ধতিতে এবং আকবর মসুর ডাল চাষের ক্ষেত্রে আধুনিক পদ্ধতি অবলম্বন করেন।
সাধারণত মসুর ডাল চাষে ইউরিয়া সার কম লাগে। কারণ মসুরের শিকড়ে রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া থাকায় তা গুটি তৈরি করে বাতাসের নাইট্রোজেন সংযোজন করে দেহে জমা রাখে। তবে এক্ষেত্রে জীবাণু সার প্রয়োগ করলে অন্যান্য সারের সাথে ইউরিয়া সার আর প্রয়োগ করতে হয় না। মসুর চাষের ক্ষেত্রে বথুয়া, চাপড়া, মুথা, দুর্বা ইত্যাদি ঘাসের আক্রমণও বেশি হয়। তাই নিয়মিত আগাছা পরিষ্কারের দরকার পড়ে। আগাছা দমন না করলে ফলন ৬০% পর্যন্ত কমে যেতে পারে।
অন্যদিকে গণি মিয়া সনাতন পদ্ধতিতে মসুর চাষ করার দরুন অন্যান্য সারের সাথে ইউরিয়া সারও জমিতে প্রয়োগ করেন। যে কারণে তার চাষাবাদের খরচ আকবরের তুলনায় বেশি পড়ে। অন্যদিকে আকবর সাহেব জীবাণু সার ব্যবহার করায় তার সার ব্যবহার বাবদ খরচ কমে যায় এবং নিয়মিত আগাছা দমনের কারণে মসুরের ফলনও ভালো হয়।
উল্লিখিত আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, জীবাণু সার প্রয়োেগ ও আগাছা দমনে যত্নবান হওয়ার কারণেই মূলত গণি মিয়ার তুলনায় আকবর সাহেবের ফলন ভালো হয় এবং চাষাবাদ খরচ কমে যায়।