1 Answers

পত্রিকার প্রতিবেদনে কম খরচে বোরো ধানের ফলন বৃদ্ধির জন্য উন্নত জাত, রোপণ সময়, সার ও সেচের ওপর গুরুত্ব দিয়েছিল। জয়নাল তার জমির ধরন অনুযায়ী উন্নত জাত নির্বাচন করে। একেকটি জাত একেক ধরনের মাটিতে ভালো ফলন দিয়ে থাকে। সুতরাং ধান বপনের পূর্বে জাতের বৈশিষ্ট্য ও মাটির বুনট অনুযায়ী জাত নির্বাচন করতে হবে। যেমন- লবণাক্ত মাটিতে ব্রি ধান ৪৭, উঁচু জমিতে ব্রি ধান ৫০, নিচু জমিতে বি আর ১৭, বি আর ১৮ ইত্যাদি। বোরো মৌসুমের ধান চাষে সঠিক সময়ে বীজ বপন ও চারা রোপণ আবশ্যক। এ জন্য সে নভেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যেই বীজতলা প্রস্তুত করে বীজ বপন করে। ফলে সে ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে রোপণ উপযুক্ত চারা পায়। সে উপযুক্ত মৌসুমে সঠিক বয়সের চারা রোপণ করতে সক্ষম হয় বলে তার ফলন বৃদ্ধি পায়।

সে সঠিক সময়ে সার ও সেচের ব্যবস্থাও করে। জমিতে সার কম হলে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ব্যাহত হয় ও ফলন হ্রাস পায়। অন্যদিকে জমিতে রাসায়নিক সার প্রয়োগ বেশি হলে বিষাক্ততা দেখা যায়। গাছ মারাও যেতে পারে। এতে ফলন কমে যায়। অন্যদিকে বোরো ধান সেচ নির্ভর ধান। সুতরাং এ ধানে নিয়ম অনুযায়ী সেচ প্রদান করতে হয়। সে AWD পদ্ধতি অনুসরণ করে সেচ প্রদান করে। ফলে কম খরচে সে পর্যাপ্ত সেচের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সমর্থ হয়। এভাবে সে ৩০-৩৫% পানি অপচয় রোধ করে ও উৎপাদন খরচ কমায়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী চাষিরা বোরো ধান চাষের জন্য উপরের নিয়মগুলো অনুসরণ করেছেন। তাই তারা কম খরচে ধানের ফলন বৃদ্ধি করতে পেরেছেন।

4 views

Related Questions