1 Answers
উদ্দীপকে রহিমের প্রথমবারে দেওয়া ১৬টি ডিমের মধ্যে ১০টি এবং পরেরবারে দেওয়া ৮টি ডিমের সবগুলো থেকেই বাচ্চা ফুটে বের হয়। ডিম থেকে বাচ্চা উৎপাদন প্রক্রিয়াকে ডিম ফুটানো বা হ্যাচিং বলে। ফুটানোর ডিম গ্রীষ্মকালে ৩-৪ দিন এবং শীতকালে ৭-১০ দিনের বেশি জমা করে রাখা ঠিক নয়। এর থেকে বেশি দিন জমা রাখলে ডিমের বাচ্চা ফুটানোর ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।
রহিমের দুটো দেশি মুরগি গ্রীষ্মকালে প্রতিদিন দুটো ডিম পাড়ে। রহিম মুরগি থেকে প্রাপ্ত ডিমগুলোর মধ্যে বাছাই করা ডিমগুলো ফুটানোর কাজে ব্যবহার করে ও ৮ দিন পর সে ১৬টি ডিম কুঁচে মুরগির নিচে বসিয়ে দেয়। ২১ দিন পর ১০টি ডিম ফুটে ১০টি বাচ্চা বের হয় কিন্তু বাকী ৬টি ডিম থেকে বাচ্চা বের হয় না। রহিম যেহেতু গ্রীষ্মকালে মুরগির ডিম ফুটাতে দেয় তাই তার উচিত ছিল ডিম পাড়ার ৩-৪ দিনের মধ্যে বাচ্চা ফুটাতে দেওয়া। এজন্য যে ৬টি ডিমের বয়স ৫-৬ দিন পার হয়ে যাওয়া সেই ডিমগুলো নষ্ট হয়ে যায়।
পরবর্তীতে দুটো মুরগির ৪ দিনে পাড়া ৮টি ডিম বসিয়ে দিলে সবগুলোই ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। এই ডিমগুলো সঠিক সময়ে ফুটাতে দিয়েছিল বলে সব ডিম থেকে বাচ্চা বের হয়। এছাড়া সে যথাযথ নিয়ম অনুযায়ী ডিম বাছাই করে এবং সঠিক পদ্ধতিতে ডিম বসায়।
উপরের আলোচনা হতে বলা যায়, রহিমের প্রথম বার এবং পরের বারের ডিম সংরক্ষণের দিনের পার্থক্যের জন্যই ডিম ফুটার হারের পার্থক্য হয়।