1 Answers

উদ্দীপকের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রিমনকে বলেন লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসল চাষাবাদ করতে। রিমনের বাড়ি উপকূলীয় এলাকায় এবং এখানে লবণাক্ততা কোনো ক্রমেই পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব নয় বলে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তার দেওয়া পরামর্শই তার এলাকায় বেশি গ্রহণযোগ্য।

লবণাক্ত এলাকায় চাষের জন্য বেশ কিছু স্থানীয় ও উন্নত জাতের ধান রয়েছে। এরা বিভিন্ন মাত্রায় লবণাক্ততা সহ্য করতে পারে। ধানের এ সমস্ত স্থানীয় জাতের মধ্যে রয়েছে বাতা, রাজাশাইল, বাজাইল, কালামানিক, গরচা, গাবুরা ইত্যাদি। লবণাক্ততা সহিষ্ণু উফশী ধানের জাত হলো আউশ (ব্রি ধান ৫৫), আমন (ব্রি ধান ৪০, ব্রি ধান ৪১, ব্রি ধান ৫৩, ব্রি ধান ৭৩) এবং বোরো (ব্রি ধান ৪৭, ব্রি ধান ৫৫)। উত্তম লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলগুলো হলো নারিকেল, সুপারি, তুলা, পালংশাক ইত্যাদি। মধ্যম লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলগুলো হলো আমড়া, মিষ্টি আলু, পেয়ারা, ভুট্টা, টমেটো ইত্যাদি। গম, কমলা, নাশপাতি, প্রভৃতি কম লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসল। এছাড়া অন্যান্য ফসলের মধ্যে বারি আলু ২২ (সৈকত) ও বারি মিষ্টি আলু ৬ ও ৭ বিভিন্ন মাত্রার লবণাক্ততা সহ্য করতে পারে। এ সমস্ত ফসলের ফলন বেশি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও ভালো।

অর্থাৎ, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তার পরামর্শই রিমনের এলাকায় বেশি উপযোগী।

4 views

Related Questions