1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত সংগঠন দুটির মধ্যে ভোক্তা সমবায় সমিতির মাধ্যমে সমাজের আয় বৈষম্য দূর করা সম্ভব।
যখন কোনো বিশেষ পণ্যের বা কতিপয় পণ্যের ভোক্তাগণ মধ্যস্বব্যবসায়ীর মুনাফার শিকার না হয়ে কমমূল্যে জিনিস কিনতে চান তখন তাদের চাহিদা পূরণে যে সমবায় প্রতিষ্ঠান গঠন করা হয়, তাকে ভোক্তা সমবায় সমিতি বলে।
উদ্দীপকে রাজনগর আবাসিক এলাকায় ৩০টি পরিবারের কর্তাব্যক্তিরা পারস্পারিক আর্থিক কল্যাণের নিমিত্তে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে উৎপাদকের নিকট হতে সরাসরি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে এনে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেন। যা ভোক্তা সমবায় সমিতির অন্তর্ভুক্ত। এ সমবায় সমিতি উৎপাদনকারী, আমদানিকারক বা পাইকারের নিকট থেকে সরাসরি পণ্যসামগ্রী খরিদ করে সদস্যবৃন্দ ও অন্যান্যদের নিকট ন্যায্যমূল্যে বিক্রির ব্যবস্থা করে থাকে। অন্যদিকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠা করা হয় বলে তারা নিজেদের স্বার্থ সংরক্ষণে নিয়োজিত থাকে। ভোক্তা সমবায় সমিতির মাধ্যমে মধ্যস্থব্যবসায়ীদের শোষণ থেকে রক্ষা এবং সস্তায় উন্নতমানের পণ্য প্রাপ্তির লক্ষ্যে ন্যায্যমূল্যে ক্রেতা বা ভোক্তা তথা সদস্যদের মধ্যে পণ্য সরবরাহ করা হয়। যার ফলে সদস্যদের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার মান উন্নত হয় যা সামাজিক উন্নয়নের মধ্যে দিয়ে সমাজের আয় বৈষম্য দূর হয়।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত সংগঠন দুটির মধ্যে ভোক্তা সমবায় সমিতির মাধ্যমে সমাজের আয় বৈষম্য দূর করা সম্ভব।