1 Answers
উদ্দীপকের উল্লিখিত পরিস্থিতিতে জনাব মিজানের নির্দিষ্টসংখ্যক শেয়ার ক্রয়ের বাধাটি নিঃসন্দেহে ন্যায়সঙ্গত হয়েছে যা আইন অনুযায়ী অত্যন্ত যৌক্তিক।
সমবায়ের অভ্যন্তরে সমবায়ীদের মধ্যে যেন অর্থনৈতিক বৈষম্য সৃষ্টি না হয় এবং কেউ একে কুক্ষিগত করতে না পারে সেজন্য একত্রে অবাধে শেয়ার ক্রয়ের সুযোগ দেওয়া হয় না। আইনে বর্ণিত ব্যতিক্রমী ক্ষেত্র ব্যতিরেকে এর কোনো একক সদস্য এর শেয়ার মূলধনের সর্বোচ্চ এক-পঞ্চমাংশ (২০%)-এর অধিক মূল্যের শেয়ার ক্রয় করতে পারে না। [১৫ (২ক) ধারা)]
জনাব আনোয়ার হোসেন এবং তার ৪৯ জন বন্ধু মিলে একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করার জন্য তারা নিজেদের মধ্য থেকে ৬ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদ গঠন করলেন যার মেয়াদ এক বছর। প্রতিষ্ঠানটির মোট শেয়ার মূলধন ১২,০৫,০০০ টাকা এবং প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। জনাব মিজান নামে একজন সদস্য ২৫০০০ শেয়ার ক্রয় করতে চাইলে অন্যান্য সদস্যরা তাতে অসম্মতি জানায় এবং এটা বিধিসম্মত নয় বলে মত প্রকাশ করে। কারণ আইন অনুযায়ী কোনো সদস্য মোট শেয়ারের ১/৫ অংশের অধিক শেয়ার ক্রয় করতে পারে না।
সুতরাং বলা যায়, আইন অনুযায়ী মোট শেয়ারের ২০% এর অধিক শেয়ার একজন সদস্য ক্রয় করতে পারে না বিধায় উদ্দীপকের উল্লিখিত পরিস্থিতিতে জনাব মিজানের নির্দিষ্টসংখ্যক শেয়ার ক্রয়ের বাধাটি নিঃসন্দেহে ন্যায়সঙ্গত হয়েছে যা আইন অনুযায়ী যৌক্তিক।