1 Answers

শরীফদের ব্যবসায়ের বিলোপসাধন হতে পারে যে উপায়ে তা হলো "বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঐচ্ছিক বিলোপসাধন"। অংশীদারি আইনের ৪৩ ধারায় বলা আছে যে, ইচ্ছাধীন অংশীদারির ক্ষেত্রে কোনো অংশীদার লিখিত বিজ্ঞপ্তির দ্বারা অন্য অংশীদারের কাছে ব্যবসায় বিলোপের ইচ্ছা প্রকাশ করলে এরূপ ব্যবসায়ের বিলোপ ঘটে।

উদ্দীপকে শরীফ ও নাফিস উত্তরাধিকার সূত্রে ঢাকায় একখন্ড জমি পায়। জমিটি ঢাকার কলাবাগান এলাকায়। বহুতল ভবন নির্মাণ করে লাভবান হওয়ার লক্ষ্যে তারা নিজস্ব জমিতে একটা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে।

ভবন নির্মাণ ব্যবসায় প্রচুর মুনাফা অর্জন করে তারা। এতে ব্যবসায়ে লাভের সম্ভাবনা দেখে তারা ঢাকার এলিফ্যান্ট রোডে ১২ তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করতে গিয়ে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয় এতে শরীফের ছোট ভাই নাফিস এ ব্যবসায়ে নিরুৎসাহিত হয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে নাফিস ফার্মটি ভেঙে দিতে চাইলে তাদের মধ্যে ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। বস্তুত নাফিস চায় এ প্রতিষ্ঠানের বিলোপসাধন। এ ধরনের অংশীদারি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের বিলুপ্তি ঘটতে পারে "বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঐচ্ছিক বিলোপসাধন" প্রকিয়ার মাধ্যমে। এ প্রকার বিলোপসাধনে বিজ্ঞপ্তি মুখ্য ভূমিকা পালন করে। ফলে, বিজ্ঞপ্তি পাওয়ার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অংশীদারগণ/অপর অংশীদার সভা আহ্বান করে বিলোপসাধনের সিদ্ধান্ত নেন।

সর্বশেষে বলা যায়, ১৯৩২ সালের অংশীদারি আইনের ৪৩ ধারা অনুযায়ী "বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঐচ্ছিক বিলোপসাধন" এর মাধ্যমে শরীফদের ব্যবসায়ের বিলোপসাধন হতে পারে।

5 views

Related Questions