1 Answers

উদ্দীপকের পরিস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক বিলোপ সাধন ঘটবে এর সাথে আমি একমত।

অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপ সাধন বলতে ব্যবসায়ের বিষয় সম্পত্তি ও দেনা-পাওনার সার্বিক নিষ্পত্তিকে বুঝায়। সুতরাং অংশীদারি ব্যবসায়ের অংশীদারি সম্পর্কের অবসান, প্রতিষ্ঠানের সকল স্থায়ী ও অস্থায়ী সম্পত্তি ও দেনা-পাওনার নিষ্পত্তি ইত্যাদি অংশীদারি প্রতিষ্ঠানের বিলোপ সাধনকেই বুঝায়।

উদ্দীপকে দেখা যায়, অপু ও মন্টু আলোচনার ভিত্তিতে চুক্তিবদ্ধ হয়ে একটি ব্যবসায় সংগঠন গড়ে তোলে। ব্যবসায়ের মুনাফা বণ্টন ও অন্যান্য বিষয়ে পারস্পারিক সমঝোতার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তাদের মধ্যে মন্টু ব্যক্তিগতভাবে ব্যাংক হতে পাঁচ লক্ষ টাকা ঋণ গ্রহণ করে এবং তা পরিশোধ না করায় ব্যাংক আদালতের আশ্রয় নেয়। আদালত তার সমস্ত সম্পত্তি ক্রোক করে তার মূল্য পান মাত্র দুই লক্ষ টাকা এবং বাকি দেনা পরিশোধে তাঁকে অক্ষম ঘোষণা করে। অংশীদারি আইনের ৪১ ধারায় বর্ণনা অনুযায়ী নিম্নোক্ত দু'টি অবস্থায় অংশীদারি প্রতিষ্ঠানের বাধ্যতামূলক বিলোপ ঘটে: (i) একজন ব্যতীত সকল অংশীদার একযোগে দেউলিয়া বলে বিবেচিত হলে এবং (ii) এরূপ কোনো ঘটনা ঘটলে যাতে অংশীদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বা অংশীদারদের পক্ষে ব্যবসায় চালানো অংশীদারি সম্পর্ক বজায় রাখা অবৈধ বলে গণ্য হয়। এক্ষেত্রে আদালত মন্টুকে দেউলিয়া ঘোষণা করে। তাই অপু বাদে অন্য অংশীদার দেউলিয়া হিসেবে বিবেচিত। তাই প্রতিষ্ঠানটিতে বাধ্যতামূলক বিলোপসাধন ঘটবে।

5 views

Related Questions