1 Answers
আশিক ট্রেডার্স আইনগতভাবে সাদ ট্রেডার্সের নিকট থেকে অর্থ ফেরত পাবে না। তবে রাফির নিকট ব্যক্তিগত দায় হিসেবে আইনত অর্থ ফেরত পাবে।
যদি কোনো ব্যক্তি ব্যবসায়ের অংশীদার না হয়েও কথাবার্তা ও আচরণের দ্বারা নিজেকে অংশীদার হিসেবে পরিচয় দেয় তবে তাকে আচরণে অনুমিত অংশীদার বলে। কার্যত এরূপ ব্যক্তি ব্যবসায়ের কোনো অংশীদার নয়। তবে যদি কেউ তার এরূপ বলার বা লেখার কারণে তার অংশীদারিত্বের ওপর নির্ভর করে ব্যবসায়কে ঋণ দেয় বা চুক্তি করে তবে সেজন্য ঐ ব্যক্তির সাধারণ অংশীদায়ের ন্যায় দায় জন্মে। পক্ষান্তরে এরূপ ব্যক্তি অজ্ঞাতসারে কোনো ঋণ গ্রহণ করলে তাতে অংশীদারি ব্যবসায়ের কোনো দায় জন্মে না, বরং তার ব্যক্তিগত দায় সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকে মুন এবং রবি সাদ ট্রেডার্স নামে একটি অংশীদারি ব্যবসায় চালান। রাফি নামে তাদের বন্ধু প্রায়ই তাদের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে আসে। তাকেও ব্যবসায়টির একজন অংশীদার বলে মনে হয়। মাঝে মাঝে সে নিজেকে একজন অংশীদার বলে পরিচয় দেয়। কিছু দিন পরে আশিক ট্রেডার্স নামে একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান সাদ ট্রেডার্সের কাছে ৩০,০০০ টাকা দাবি করে। সাদ ট্রেডার্সের অগোচরে রাফি ব্যক্তিগতভাবে টাকাটা নিয়েছিল সত্যি। তাই সাদ ট্রেডার্স আইনত দায়ী হবে না। তবে রাফি ব্যক্তিগতভাবে উক্ত অর্থ ফেরতদানে আইনত বাধ্য।
সুতরাং আশিক ট্রেডার্স আইনগতভাবে সাদ ট্রেডার্সের নিকট থেকে অর্থ ফেরত পাবে না। তবে রাফির নিকট ব্যক্তিগত দায় হিসেবে আইনত অর্থ ফেরত পাবে।