1 Answers

কৃষি কর্মকর্তা জাহিদের জমিতে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে কম্পোস্ট সারের কথা বলেছিলেন। নানা প্রকার আবর্জনা উদ্ভিদ (যেমন- আগাছা, কচুরিপানা), কসাইখানার আবর্জনা, ধানের তুষ, আখের ছোবড়া, রান্নাঘরের আবর্জনা এবং প্রাণিজাত পচনশীল উচ্ছিষ্টাংশ নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে পচিয়ে যে সার তৈরি করা হয় তাকে কম্পোস্ট সার বলে। কম্পোস্ট সার তৈরি করতে জাহিদ নিম্নের চারটি পদ্ধতি অবলম্বন করে-

i. গর্ত পদ্ধতি: গর্ত করে সেখানে আবর্জনা জমিয়ে কম্পোস্ট তৈরি করতে হয়। 

ii. ভূপৃষ্ঠ স্তূপ পদ্ধতি: মাটির উপরে আবর্জনা দ্রব্য স্তূপাকারে সাজিয়ে নিয়মিত ওলটপালট করে কম্পোস্ট তৈরি করা হয়। 

iii. পরিখা পদ্ধতি: পরিখা খনন করে আবর্জনা পচিয়ে কম্পোস্ট উৎপাদন করা হয়। 

iv . পাকা কাঠামো পদ্ধতি: পাকা কাঠামো তৈরি করে তাতে কম্পোস্ট উৎপাদন করা হয়।

উপরিউক্ত পদ্ধতিগুলোর মধ্যে পাকা কাঠামো পদ্ধতি সবচেয়ে সুবিধাজনক। এতে আবর্জনা তাড়াতাড়ি পচে, কম্পোস্টের মান ঠিক থাকে এবং পরিবেশ দূষণমুক্ত থাকে। তাই জাহিদ এ পদ্ধতি অবলম্বন করলে সর্বোত্তম ফল পাবে।

5 views

Related Questions