1 Answers
হাফিজ আহমেদের চাওয়া পূরণে উক্ত গ্রন্থটি অর্থাৎ আল 1 কুরআন যথার্থ ভূমিকা রাখতে পারে বলে আমি মনে করি।
সমাজবদ্ধভাবে বসবাস করা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। আত্মীয়- অনাত্মীয়, মুসলিম, অমুসলিম, পাড়া-প্রতিবেশী নিয়ে পারস্পরিক নির্ভরশীলতার ভিত্তিতে তাকে সামাজিক জীবনযাপন করতে হয়। অবিচার, জুলুম, আত্মসাৎ, হত্যা, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, ব্যভিচার ও নানারকম খারাপ আচরণ মানুষের সামাজিক জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে। এ অবস্থা নিরসনে কুরআন ন্যায়বিচার, সদাচার ও প্রয়োজনীয় দণ্ডবিধানের ঘোষণা দিয়েছে। আল্লাহ তায়ালা এ মর্মে নির্দেশ দিয়েছেন- 'তোমরা সদ্ব্যবহার করো পিতা-মাতা, আত্মীয়- স্বজন, ইয়াতীম-অভাবগ্রস্ত, কাছের প্রতিবেশী, দূর প্রতিবেশী, সঙ্গী, সাথি, পথচারী ও তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীদের প্রতি।' (সুরা আন নিসা-৩৬) আবার বলা হয়েছে, 'হে মুমিনগণ! তোমরা ন্যায়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকো। আল্লাহর জন্য ন্যায়সংগত সাক্ষ্য দান করো। যদিও তা তোমাদের পিতামাতা, নিজেদের ও আত্মীয়দের ব্যাপারে হয়।' (সুরা আন নিসা-১৪৫)
উদ্দীপকে দেখা যায়, শান্তনগর গ্রামের কিছু লোক এ গ্রামকে অবিচার, জুলুম, হত্যা, চুরি, ডাকাতিসহ নানারকম অন্যায়ের মাধ্যমে সমাজজীবনকে কলুষিত করে ফেলেছে। এলাকার বিবেকবান নেতা হাফিজ আহমেদ সমাজ থেকে এ সব নেতিবাচক কর্মকাণ্ড দূরীকরণে বদ্ধপরিকর। আর তার এ ইচ্ছা বাস্তবায়ন করতে হলে আল কুরআনের আলোকে সমাজকে গড়ে তুলতে হবে। কেননা সমাজজীবনের সব ভালো কাজের নির্দেশনা এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকার তাগিদ দিয়েছে আল কুরআন।
সুতরাং বলা যায়, আল কুরআনের নির্দেশনার বাস্তবায়নই হাফিজ আহমদের চাওয়া যথার্থভাবে পূরণ করতে সক্ষম বলে আমি মনে করি।