1 Answers
হ্যাঁ, সোহাইলের কাঙ্ক্ষিত ইতিহাস গ্রন্থ রচনায় উক্ত গ্রন্থ অর্থাৎ হাদিস সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সহায়ক বলে আমি মনে করি। রাসুলুল্লাহ (স)-এর সময় থেকে শুরু করে হাদিস গ্রন্থাবদ্ধ হওয়া পর্যন্ত সময়ের মানুষের জীবনযাত্রা ও শাসনব্যবস্থার নিখুঁত চিত্র পাওয়া যায় হাদিসে। এছাড়া অতীত দিনের বিভিন্ন জাতি ও শাসকদের জীবনযাত্রার বিশ্বাসযোগ্য বিবরণও হাদিসে পাওয়া যায়। আর সোহাইলের কাঙ্ক্ষিত ইতিহাস গ্রন্থটি রচনায় এসব তথ্যই প্রয়োজন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামের ইতিহাস বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে বের হয়েছে সোহাইল। এখন সে এ বিষয়ে একটি মানসম্মত ও গ্রহণযোগ্য গ্রন্থ রচনায় আগ্রহী। এ ব্যাপারে হাদিসের সহায়তা নিয়েই সে বেশি সফল হতে পারবে। কারণ ইতিহাসের প্রামাণ্য উৎস হলো হাদিস। স্বাভাবিকভাবেই হাদিসে রাসুল চরিত সংরক্ষিত ছিল। সমকালীন মানুষের চিন্তা-ভাবনা, রুচি, যুদ্ধ- বিগ্রহ, সাধনা প্রভৃতির বিবরণও হাদিসের অন্তর্ভুক্ত। পূর্ববর্তী নবি- রাসুল ও তাদের উম্মতদের জীবনযাত্রার নির্ভরযোগ্য বিবরণ আছে হাদিসে। তাছাড়া সংরক্ষণ, সংগ্রহ, পর্যালোচনা ও পরবর্তীকালের মানুষের জন্য ইতিহাস চর্চার সত্যিকারের প্রেরণা হলো হাদিস। বিশ্বাসযোগ্য পদ্ধতি এবং ইমানি দায়িত্বের সাথে হাদিস সংরক্ষিত হয়েছে বলে একে বলা যায় ইতিহাসের সর্বাধিক নির্ভরতাসমৃদ্ধ উপাত্ত ও দলিল।
ওপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, সোহাইলের ইতিহাস গ্রন্থটি রচনায় হাদিসই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সহায়ক উৎস।