1 Answers
হ্যাঁ, আমি মনে করি মাহদী মুহাম্মদের আধ্যাত্মিক জীবন গঠনে সাকিন মুহাম্মদের পরামর্শ কার্যকর হবে। কুরআনে মানুষের দুটি সত্তার কথা বলা হয়েছে। একটি দেহ, অন্যটি রুহ বা আত্মা। পরিপূর্ণ মানুষ হওয়া এবং সত্যিকারের সাফল্য লাভের জন্য মানুষকে তাই দৈহিক পবিত্রতার পাশাপাশি রুহের পরিশুদ্ধতাও অর্জন করতে হয়। সে কারণে কুরআন আধ্যাত্মিক বা আত্মিক সমস্যা নিরসনেও যথার্থ নির্দেশনা দিয়েছে। যেমন ইরশাদ হয়েছে, 'যে নিজেকে শুদ্ধ করে সেই সফল, আর যে নিজেকে কুলষিত রাখে সে ব্যর্থ হয়।' (সুরা আশ-শামস-৮-৯)
সাকিন মুহাম্মদ মনে করেন আল কুরআন আধ্যাত্মিক সাধনার সবচেয়ে বড় নিয়ামক। এ কারণে তিনি তার ভাই মাহদী মুহাম্মদকে আল কুরআন অনুসরণের পরামর্শ দেন। কুরআনই মানুষের কাছে আল্লাহর অবস্থান ব্যাখ্যা করে, তাকে সার্বিকভাবে আল্লাহর ওপর ভরসা করার প্রেরণা দেয়। যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'আর যখন আমার বান্দা তোমাকে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, বস্তুত আমি আছি নিকটেই। যখন কোনো আহ্বানকারী আমাকে আহ্বান করে, আমি তখন তার আহ্বানে সাড়া দিই।' (সুরা বাকারা-১৮৬)
উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, ভাইকে দেওয়া সাকিন মুহাম্মদের উক্ত পরামর্শটি যথার্থ ও সঠিক।