1 Answers

হ্যাঁ, ফুরফুরা শরিফের পিরের বক্তব্য ইসলামের দৃষ্টিতে যথার্থ। 

মানুষের জীবনের দুটি দিক থাকে। একটি বাহ্যিক অন্যটি আত্মিক। বাহ্যিক দিকের বিধি-বিধান ইসলামে শরিয়ত হিসেবে বিবৃত হয়েছে। আর অন্তরের বিষয়টিকে বলা হয় তাসাউফ। তাসাউফকে বলা হয় ইসলাম পরিকল্পিত সমন্বিত জীবন ধারার প্রতীক। তাসাউফের সাধনা মানুষের অন্তরের পাপ-পঙ্কিলতা ও কলুষতা থেকে মুক্ত করে। তার অন্তর পবিত্র ও পরিশুদ্ধ হয়। আর পরিশুদ্ধ অন্তরের মানুষ পরম পবিত্র সত্তা আল্লাহ তায়ালার দিদার লাভে ধন্য হয়। তাসাউফ ছাড়া অন্তর পরিশুদ্ধ করা সম্ভব না। কেননা অন্তর পরিশুদ্ধ করার ইসলামসম্মত যেকোনো চেষ্টাই হলো তাসাউফ।

উদ্দীপকে ফুরফুরা পির সাহেব শহীদুল ইসলামকে উপদেশ দিয়ে বলেন, আমরা মানুষ। আমাদের যেমন দেহ আছে, তেমনি আছে আত্মা। দেহ ও আত্মার সমন্বয়েই মানুষ। বাহ্যিক ধুলো-ময়লা লেগে দেহ অপরিচ্ছন্ন হয়, অসুস্থ হয় সেজন্য দেহকে ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার- পরিচ্ছন্ন করতে হয়। লোভ-লালসা, কামনা-বাসনা, হিংসা-বিদ্বেষ, পাপ-পঙ্কিলতা আত্মাকে কলুষিত করে। এজন্য আত্মাকে পরিশুদ্ধ করতে হয়। আর আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার উপায় হলো তাসাউফ। সুতরাং পিরের বক্তব্যটি যথার্থ। আমাদেরকে তাসাউফ চর্চার মাধ্যমে আত্মাকে পবিত্র করতে হবে।

4 views

Related Questions