1 Answers
শাহাদাত তার জমি প্রস্তুতের একটি পর্যায়ে জমিতে রাসায়নিক সার প্রয়োগ করল। সে উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহের জন্য এ কাজটি করেছিল।
বাংলাদেশের জনসংখ্যা দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে। কিন্তু এ বাড়তি জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা মেটানোর জন্য আবাদি জমির পরিমাণ বাড়ছে না বরং দিনদিন কমে যাচ্ছে। তাই অধিক উৎপাদনের জন্য জমিতে প্রচুর চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। বছরের পর বছর বিরতিহীনভাবে জমি চাষাবাদ করা হচ্ছে। ফলে জমির উর্বরতা কমে যাচ্ছে। শাহাদাতের জমির ক্ষেত্রেও এ ঘটনা ঘটেছে। আগে যে জমিতে সার প্রয়োগের প্রয়োজন হতো না বর্তমানে সেইসব জমিতেই সার প্রয়োগ ছাড়া ফলন আশা করা যায় না। শাহাদাত তার জমিতে জৈব সারের পাশাপাশি রাসায়নিক সার প্রয়োগ করে। জৈব সার প্রয়োগে মাটির ভৌত ও রাসায়নিক গুণাগুণ বজায় থাকে। কিন্তু জৈব সার থেকে ধীর প্রক্রিয়ায় খুব অল্প পরিমাণে উদ্ভিদ তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পায়। ফলে শুধু জৈব সার ব্যবহার জমির জন্য ভালো হলেও তা সর্বোচ্চ ফলন নিশ্চিত করতে পারে না। সর্বোচ্চ ফলনের জন্য জৈব সারের পাশাপাশি শাহাদাত রাসায়নিক সার সরবরাহ করে। রাসায়নিক সার খুব দ্রুত উদ্ভিদের গ্রহণোপযোগী হয়। তাই সুষম মাত্রায় রাসায়নিক সার প্রয়োগ করলে ফলন বাড়ে।
শাহাদাত অধিক ফলন লাভ ও জমির স্বাস্থ্য রক্ষা করতে রাসায়নিক সার ব্যবহার করল।