1 Answers
উদ্দীপকের রমিজ মিঞা কাঙ্ক্ষিত ফলন লাভের জন্য কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী তার অম্লীয় প্রকৃতির মাটি সংশোধন করেন।
রমিজ মিয়া তার জমিতে চুন, জৈব সার (যেমন- সবুজ সার, অণুজীব সার, ট্রাইকোডার্মা), বায়োপেস্টিসাইড, কাঠের ছাই, ঝিনুকের গুঁড়া ইত্যাদি প্রয়োগ করে মাটি সংশোধন করেন।
এসব দ্রব্য প্রয়োগ করে মাটি সংশোধন করলে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। নাইট্রোজেন যৌগের রূপান্তর নিয়ন্ত্রণ করা যায়। চুন ব্যবহারের মাটিতে Ca ও Mg আয়নের পরিমাণ বেড়ে মাটি ফসল উৎপাদনের উপযোগী হয়। বিভিন্ন রকম জৈব সারের ব্যবহার মাটির বাফার ক্ষমতা বাড়ায়। মাটির ভৌত দানাবন্ধন ত্বরান্বিত হয়ে মাটির ক্ষয় রোধ হয়। অম্লীয় মাটিতে সবুজ সার প্রয়োগ করলে তা মাটির ফসফরাস বিমুক্ত করে। এছাড়া সবুজ সার নিরপেক্ষ pH মানের রাসায়নিক সারের কার্যকারিতা বড়িয়ে দেয়। ফলে জমিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না। মাটি সংশোধনের উপাদানসমূহ ব্যাটেরিয়ার কার্যাবলিও বৃদ্ধি করে। এতে করে বুনট মান সংশোধিত ও সংযুক্তি উন্নত হয়। সর্বোপরি, ফসলের ফলন বৃদ্ধি পায়।
অতএব, উপরের আলোচনা সাপেক্ষে বলা যায় যে, কাঙ্ক্ষিত ফলন লাভে রমিজ মিয়াকে দেওয়া কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ যথার্থ।